স্বাভাবিকভাবে বাসা থেকে বের হওয়ার পর কবি-লেখক-কলামিস্ট ফরহাদ মজহার নিখোঁজ হওয়ার পর এখন এ নিয়ে তোলপাড় চলছে। ভোর থেকে ঘটনাপ্রবাহে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে:
১.রাজধানীর শ্যামলী রিং রোডের ‘হক ভবন’ থেকে ভোর ৫টা ৫ মিনিটে স্বাভাবিক পোশাকে, স্বাভাবিকভাবে হেঁটে বের হন ফরহাদ মজহার।
২.ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে তার স্ত্রী ফরিদা আখতারের মোবাইল ফোনে ফরহাদ মজহার নিজেই জানান, কেউ তাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে।
৩. সেসময় তাকে মেরে ফেলা হতে পারে বলেও আশঙ্কার কথা জানান তিনি।
৪. ফরহাদ মজহার নিয়মিত যে নম্বর ব্যবহার করেন তার বদলে মাঝেমধ্যে ব্যবহার করেন এমন নম্বর থেকে তার স্ত্রীর ফোনে ফোন আসে।
৫. স্ত্রীর মোবাইলে ফরহাদ মজহার মোট চারবার ফোন করেছেন।
৬. প্রয়োজন হতে পারে জানিয়ে ফোনে ফরহাদ মজহার নিজেই ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতে বলেন।
৭. ফরহাদ মজহার বাসা থেকে বের হওয়ার আগে কেউ তাকে ফোন করেছিলেন কিনা পরীক্ষা করে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, বের হওয়ার আগে বা ভোর রাতে ফরহাদ মজহারের নম্বরে কোন ফোনকল আসেনি।
৮. দিনভর ফরহাদ মজহারের শুভাকাঙ্খীরা তার বাসায় ভিড় করেছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন বন্ধ থাকা ‘আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান যার বাসায় একদিন আগে একটি অভিযানের ঘটনা ঘটেছে।
৯. সন্ধ্যা পর্যন্ত সাংবাদিকদের সঙ্গে ফরহাদ মজহারের স্ত্রী বা পরিবারের কেউ কথা বলেননি। ব্রিফিংয়ে গৌতম দাস ও মোস্তাঈন জহিরসহ তার ঘনিষ্ঠজনেরা কথা বলেন। রাতে ফরহাদ মজহারের স্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন।
১০. ফরহাদ মজহার নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে আদাবর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
১১. রহস্য সমাধানে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার।
১২. ফরহাদ মজহারের ফোনের অবস্থান জেনে খুলনায় অভিযান পরিচালনা করছে এলিট ফোর্স বা র্যাব।








