কদিন আগে সাউথ আফ্রিকা সফরে একদিনের তিনটি ম্যাচই হেরেছে ভারত। প্রোটিয়া ডেরা থেকে বয়ে আনা ক্ষতে প্রলেপ হিসেবে ‘হোয়াইটওয়াশ’ই বেছে নিল রোহিতের দল। প্রতিপক্ষ অবশ্য ভিন্ন। আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তিনটি ম্যাচেই হারিয়েছে ভারত।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ভারতের ছোড়া ২৬৫ রানের লক্ষ্যে ক্যারিবিয়ানরা থেমেছে ১৬৯ রানে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানের হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৪৪ রানে হেরে সিরিজ খুঁইয়েছিল সফরকারীরা। এবার হোয়াইটওয়াশ হল ৯৬ রানের বড় ব্যবধানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত (২৬৫/১০), ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১৬৯/১০) ম্যাচ সেরা: শ্রেয়াস আইয়ার (১১১ বলে ৮০ রান); সিরিজ সেরা: প্রসিধ কৃষ্ণা (৯ উইকেট)
টসে জিতে চার তরুণ ব্যাটার ভারতকে এনে দেয় লড়াইয়ের পুঁজি। মিলিত চেষ্টায় বোলাররা সারলেন বাকিটা। আগের দুই ম্যাচে অল্পতে গুটিয়ে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ এ ম্যাচেও জানাতে পারেনি কোনো চ্যালেঞ্জই।
জবাবে ১৯ রানে প্রথম উইকেট হারানো দল শতরান সংগ্রহ করতেই হারিয়েছে ফেলে সেরা সাত ব্যাটারকে। দলীয় ৮২ রানের মাথায় অধিনায়ক পুরান ৩৪ রান করে ফিরলে জুটি গড়েন জোশেফ ও ওডেন স্মিথ।
ব্যাটিং অর্ডারের নিচের দিকে নামা তিন ব্যাটারের ব্যাটেই ১৬৯ রান পর্যন্ত যায় সফরকারীরা। ১৮ বলে ৩৬ রান করেন ওডেন স্মিথ। হেইডেন ওয়ালস যোগ করেন ১৩ রান। সফরকারীদের শেষ উইকেট হিসেবে জোশেফকে শিকার করে হোয়াইটওয়াশ নিশ্চিত করেন ভারতীয় স্পিনার প্রসিধ কৃষ্ণা।
ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে তিনটি করে ব্যাটারকে ফিরিয়েছেন পেসার মোহাম্মদ সিরাজ ও প্রসিধ কৃষ্ণা। দুটি করে শিকার দিপক চাহার ও কুলদিপ যাদবের।
এর আগে ব্যাটিং নেমে বাজে শুরু করে রোহিতের দল। দলীয় পঞ্চাশ রানের আগেই সেরা তিন ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। ব্যর্থ হন রোহিত, শিখর, বিরাট কোহলি (০)।
মাঝের দিকে দলের হাল ধরেন শ্রেয়াস আইয়ার। তরুণ এ ব্যাটারের থেকে আসে ৮০ রান। পাঁচে নামা রিশাব পান্থ ফেরেন ফিফটি করে। ৫৪ বলে উইকেটরক্ষক ব্যাটারের থেকে আসে ৫৬ রান।
শেষের দিকে আবারও দ্রুত উইকেট পড়ার দিনে বাধা হয়ে দাড়ান ওয়াশিংটন সুন্দর ও দিপক চাহার। দুইয়ের ব্যাটেই ভারতের সংগ্রহ আড়াইশ ছাড়ায়। সুন্দরের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান ও ৩৮ রান যোগ করেন দিপক চাহার।
ক্যারিবিয়ানদের হয়ে চারটি উইকেট শিকার করেন জেসন হোল্ডার। দুই ভারতীয় ব্যাটারকে ফেরান আলজেরি জোশেফ। একটি করে উইকেট নেন অ্যালেন ও স্মিথ।








