মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর আপিলের উপর রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হচ্ছে বুধবার। একই দিন আসামিপক্ষের পাল্টা যুক্তির মাধ্যমে শেষ হবে আপিলের শুনানি।
এ মামলায় তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামি জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর আপিল শুনানি।
১৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হয় আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন। ২৩ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় নির্ধারণ করা থাকলেও এর এক ঘণ্টা আগে প্রধান বিচারপতির নির্দেশে রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন শুরু করে।
এটর্নি জেনারেল মাহাবুবে আলম বলেন, আমার মূল যুক্তি ছিলো-মীর কাসেম আলী ডালিম হোটেলে যেটা ছিলো সেটা ছিলো টর্চার ক্যাম্প। তার প্রধান ছিলেন উনি এবং সেখানে যারা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন তারাই আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেছে। তাদেরকে যে সমস্ত সাজেশন দেওয়া হয়েছে সেই সাজেশনে বরং আসামী পক্ষ অনেক গুলো জিনিস স্বীকার করে নিয়েছে। তিনজন লোক যে মারা গেছে মুক্তিযোদ্ধা জসিম আর টুন্টু সেন রঞ্জিত দাস এ মৃত্যুগুলোকে অস্বীকার তারা করেনি।
যুক্তি উপস্থাপনের সময় মীর কাসেম আলীর মামলার তদন্ত এবং মামলা পরিচালনা নিয়ে মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।
এ প্রসঙ্গে মাহাবুবে আলম বলেন, অন্যান্য মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রেও এ ট্রাইব্যুনালের যে প্রসিকিউটার এবং তদন্তকারী তাদের কাজের ওপর আদালত গভীর অসন্তষ প্রকাশ করেছে।
এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, যথেচ্ছ খরচ করা সত্ত্বেও সঠিকভাবে মামলা পরিচালনা করতে প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যর্থ হচ্ছে। এ মামলাটিতে শুনানির সময় আমাকে যথেষ্ট প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয়েছে।
এটর্নি জেনারেল বলেছেন, মামলার তদন্ত নিয়ে মন্তব্য করা হলেও রায়ে এর প্রভাব পড়বে না।







