দিনে দিনে প্রসার বাড়ছে শরীয়তপুরের মিরাশার চাষি বাজারের। শীতের সবজির ভরা মৌসুমে প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত আটটা পর্যন্ত কৃষক, পাইকার ও ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারনায় মুখর থাকে বাজারটি।
২০০৮ সালে কৃষিপণ্যের ন্যায্যদাম নিশ্চিত করতে ৩২ শতক জমির ওপর মিরাশার চাষি বাজারটি স্থাপন করা হয়। বর্তমানে এর আয়তন ৬৬ শতক। নয় বছরের ব্যবধানে মিরাশার চাষি বাজারটি এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় কৃষি বাজারে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় পাইকার ছাড়াও মিরাশার চাষি বাজারে আসেন বিভিন্ন জেলার পাইকার। প্রতিদিন একশ’রও বেশি পাইকার ও দু/তিন হাজার কৃষক নিয়মিত কৃষিপণ্য বেচাকেনা করেন এখানে।
কৃষক ও পাইকারের সুবিধা ও চাহিদার কথা মাথায় রেখে বাজারটি সম্প্রসারণ ও পরিচালিত হওয়ায় দিনে দিনে বাড়ছে বাজারের পরিধি। প্রতিদিন এ বাজারে বেচাকেনা হয় দেড় থেকে দুই কোটি টাকার পণ্য।
বছরজুড়ে ক্রেতা-বিক্রেতা ও পাইকারের পদচারনায় মুখর থাকলেও নভেম্বর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত বাজারটি থাকে সবচেয়ে বেশি জমজমাট।
আরও দেখুন এস এম মজিবুর রহমানের ভিডিও রিপোর্টে:








