এম ওয়াই আলাউদ্দিন: প্রবাসীদের বিভিন্ন সেবা সম্বলিত সরকারের চালু করা প্রবাসী কল্যাণ কার্ড বিতরণে শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরবের জেদ্দা কনস্যুলেট।
সোমবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত ওয়েব সাইটে সর্বশেষ পরিসংখ্যানে প্রথম ২২টি মিশনের মধ্যে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৮৩৯৪ জন প্রবাসীকে এই কর্মসূচীর আওতায় এনে শীর্ষে রয়েছে জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট এর পর রয়েছে রিয়াদ দূতাবাস।
রিয়াদ দূতাবাস ৬৯৪৩ জন, ইটালির মিলান ২৪৯৩ জন,রোম ১৮১৬ জন, গ্রীস ১৫৯৯জন, দুবাই ৫৯৭ জন, আবুধাবি ১৯২, কুয়েত ১২৩ জন, অস্ট্রেলিয়া ৯৯ জন, স্পেন ৬৪ জন, মিশ্র ৬০ জন, বাহরাইন ৩৩ জন, কাতার ৩০ জন, লিবিয়া ১৭ জন, মালয়েশিয়া ৭ জন, জেনেভা ৬ জন, জাপান ৬ জন , মালদ্বীপ ৩ জন, মাওরিটিওস ২ জন, সিংগাপুর এবং লেবানন এর মিশন গুলো গত ৩ বছরে প্রবাসী কল্যাণ কার্ড নিবন্ধন করেছেন মাত্র এক জন করে।
২০১৭ সালের জুন মাস থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম একমাত্র সৌদি আরবের জেদ্দা কনস্যুলেট ছাড়া তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি অন্য কোন দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেট।
জেদ্দা, রিয়াদ মিলান,রোম, গ্রীস, দুবাই ছাড়া প্রবাসী কল্যাণ কার্ড নিবন্ধন এর এই চিত্র দেখে অনেকটা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্থ বিষয় নিয়ে কাজ করেন প্রবাসী বিভিন্ন কমিউনিটি, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিকট দাবি জানান নিস্ক্রিয় যেসব মিশন সে সব মিশনকে জবাব দিহিতার আওতায় এনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
বহির্বিশ্বে কর্মরত রয়েছেন এক কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি। এইসব প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে ২০১৭ সালে নিবন্ধনের আওতায় আনার মাধ্যমে প্রবাসীদের মেধাবী সন্তানদের জন্য প্রতি বছর শিক্ষা বৃত্তির সুবিধা, সন্তানদের বাংলাদেশের সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবাসী কোটায় ভর্তির সুযোগ, বিপদগ্রস্ত প্রবাসী কর্মীকে বিদেশ হতে দেশে প্রত্যাগমনের ব্যবস্থা, মৃতদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তরের সময় বিমান বন্দরে স্থাপিত প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক হতে দেশের অভ্যন্তরে লাশ পরিবহন ও দাফন খরচ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য প্রদান, প্রবাসে মৃত্যু হলে মৃত কর্মীর পরিবারকে ৩লাখ টাকা আর্থিক অনুদান, বিপদ গ্রস্থ প্রবাসীকে প্রত্যাগমনের ব্যবস্থা ছাড়াও প্রবাসী কল্যাণ কার্ড এর থাকলে সর্ব নিম্ন সুদে হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন সহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিয়ে বাড়ি বানানো , ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সহায়তা করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এই কর্মসূচী চালু করেন।
অন্যদিকে প্রবাসী কল্যাণ কার্ড সম্পর্কে জানেনই না বেশির ভাগ প্রবাসী। সাধারণ প্রবাসীদের মনে করেন এই জন্য প্রয়োজন ব্যাপক প্রচারণা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ।








