বাংলাদেশ

প্রবাসীরা দেশে এসে নানা হয়রানির শিকার হন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের একজন সরকারী কর্মকর্তা অফিসে বসে আছেন।. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বাংলাদেশের একজন সরকারী কর্মকর্তা অফিসে বসে আছেন, পেছনে বাংলাদেশের পতাকা ও ছবি দেখা যাচ্ছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রবাসীরা দেশে আসলে তারা নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। তাদের জমি বেদখল হয়ে যায়, সহজে ম্যারেজ সার্টিফিকেট ও পাসপোর্ট পান না।

বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, এসব হয়রানি বন্ধ করতে হবে। জেলা প্রশাসকরা যাতে প্রবাসীদের সেবা দেন, তারা যাতে হয়রানি না হয় সেজন্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে।

‘‘অনেক সময় স্থানীয়ভাবে যে কাজ করতে পারে; সেটা না করে ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়, এটা ঠিক নয়। এলাকায় যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।’’

ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী একই অনুষ্ঠানে বলেছেন: আমি পরিস্কার বলে দিয়েছি যারা প্রবাসে থাকে, অ্যাম্বেসির মাধ্যমে তাদের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি গ্রহণযোগ্য। যারা দেশে আছেন তাদের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কার্যকর হবে না। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বন্ধ করে দেব। এর বাইরে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেব। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়ে অনেক জটিলতা আছে, জালিয়াতি হচ্ছে। পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মিস ইউজ হচ্ছে। এটি বন্ধ করতেই পাওয়ার অ্যাটর্নি বন্ধ করা হচ্ছ।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক: ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের অপব্যবহার বন্ধে ডিসিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনটি করা হয়েছে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রনের জন্য,বাক স্বাধীনতা হরণ করার জন্য নয়। কারও বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তা তদন্তের জন্য নির্ধারিত সেলে পাঠাতে হবে। মামলার করার সাথে সাথে কোন সাংবাদিককে গ্রেফতার করা যাবেনা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল:  বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা বিশ্বমানের করতে চাই। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিসি এসপিকে এক সাথে কাজ করতে হবে। জুয়া আইন হালনাগাদ করা হবে। যারা র‌্যাব গঠন করেছিলো তারাই এখন বিরোধিতা করেছে। র‌্যাবের ভালো কাজ গুলো তারা দেখছে না।
বিষয়:এ. কে. আব্দুল মোমেনপররাষ্ট্রমন্ত্রী

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…