পাশের দেশের সিনেমার দৈনিক টিকেট বিক্রির রিপোর্ট চাইলেই দিন শেষে একজন সাধারণ দর্শকও দেখে নিতে পারেন। একদিনে কিংবা সপ্তাহান্তে কোন সিনেমা কতো আয় করলো, সেটা দেখে নিতে পারেন অনলাইনেই। কিন্তু বাংলাদেশের সিনেমার টিকেট বিক্রি নিয়ে হিসেবটা বরাবরই গোলমেলে!
অনলাইনতো দূর, অফলাইনেও হিসেব নিয়ে আছে অস্বচ্ছতা। দেশের সিনেমায় এমন অভিযোগও বেশ পুরনো। কিন্তু এবার টিকেট বিক্রির রিপোর্ট জানানোর উদ্যোগ নিয়েছে ‘মিশন এক্সট্রিম’ এর প্রযোজনা সংস্থা কপ ক্রিয়েশন।
শুক্রবার ‘মিশন এক্সট্রিম’ এর প্রযোজনা সংস্থা কপ ক্রিয়েশন থেকে জানানো হয়, ‘এক সপ্তাহের ব্যবসায়িক হিসেবে ‘মিশন এক্সট্রিম’ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে তা আমরা জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যদিও এদেশে সিনেমা থেকে আয়ের বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে কখনো পাওয়া যায় না বলে অনেকের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু, আমরা সে পথটা মসৃণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আজ অব্দি বিভিন্ন হলের সপ্তাহান্ত বিক্রি রিপোর্ট (Weekly Sales Report)-এর ৮০ শতাংশ আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে বাকী হিসেব আসার পর আমরা পুরোটা প্রকাশ করবো।’
প্রথম সপ্তাহে ‘মিশন এক্সট্রিম’ কেমন চলেছে, বিষয়টি জানিয়ে কপ ক্রিয়েশন জানায়, ‘বিশ্ব যখন করোনা মন্দায় হাহাকারময় ঠিক তখন বেশ ঝুঁকি নিয়েই ৩ ডিসেম্বর মিশন এক্সট্রিম মুক্তি পেয়েছিল। প্রথম সুপ্তাহে ৩দিনের লাগাতার বৃষ্টি এবং কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের আরোপিত প্রোপাগাণ্ডা আমাদের কিছুটা ব্যাঘাত ঘটালেও মঙ্গলবার থেকে আবার ঘুরে দাঁড়াতে থাকি। এদেশের লাখো সিনেমাপ্রেমী দর্শকের ভালোবাসা নিয়ে ২য় সপ্তাহটা আমরা সেখান থেকেই শুরু করতে যাচ্ছি।’
প্রযোজনা সংস্থা থেকে জানানো হয়, প্রথম সপ্তাহে ৫০টি হলে মুক্তি পেয়েছিল মিশন এক্সট্রিম, আর দ্বিতীয় সপ্তাহে সেটা ৪৭টি-এ দাঁড়িয়েছে। সংখ্যার বিচারে এটি খুশীর খোরাক জোগালেও শেষ হাসিটা আমরা সপ্তাহান্তের বিক্রয় রিপোর্ট দেখে হাসতে চাই।
আরফিন শুভ ছাড়াও ‘মিশন এক্সট্রিম’ এ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আরও রয়েছেন- তাসকিন রহমান, সাদিয়া নাবিলা, ঐশী, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ফজলুর রহমান বাবু, শতাব্দী ওয়াদুদ, ইরেশ যাকের, মনোজ প্রামাণিক, আরেফ সৈয়দ, রাশেদ মামুন অপু, এহসানুল রহমানসহ অনেকে।
কুল নিবেদিত ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমাটি পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ‘সিটিটিসি’র কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত। এর গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন পুলিশ সুপার (এসপি) সানী সানোয়ার নিজেই, ছবির আরেক পরিচালক ফয়সাল আহমেদ। সিনেমাটির সহযোগী প্রযোজক হিসেবে রয়েছে মাইম মাল্টিমিডিয়া ও ঢাকা ডিটেকটিভ ক্লাব।








