সকালে মেহেদী হাসান মিরাজ আউট হতেই বাংলাদেশের হার সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়াল। ১০৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় সাউথ আফ্রিকা হারিয়েছে ৩ উইকেট। মিরপুর টেস্টে শুরুর দিন থেকেই দাপট দেখানো প্রোটিয়ারা জিতেছে ৭ উইকেট। দ্রুত রান তুলে চতুর্থ দিনের লাঞ্চ বিরতির আগে ২২ ওভার খেলে এইডেন মার্করামের দল পৌঁছায় বিজয়ের বন্দরে।
সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু আগামী ২৯ অক্টোবর। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে হবে ম্যাচটি। দ্বিতীয় ইনিংসেও সফল বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। একাই নিয়েছেন সবকটি উইকেট। প্রথম ইনিংসে তার শিকার ছিল পাঁচটি। টনি ডি জর্জি সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন।
বাংলাদেশ: ১০৬ ও ৩০৭, সাউথ আফ্রিকা: ৩০৮ ও ১০৬/৩
দুই ইনিংসে তাইজুলের স্পিন ভেলকি আর দ্বিতীয় ইনিংসে মেহেদী হাসান মিরাজ ও জাকের আলীর জুটিতে প্রতিরোধ ছাড়া বাংলাদেশের প্রাপ্তির কিছু নেই মিরপুর টেস্টে।
হারের পর প্রথম ইনিংসের ব্যর্থতা বড় হয়ে সামনে এসেছে। আরকিছু রান যোগ করা গেলে সাউথ আফ্রিকাকে কঠিন চ্যালেঞ্জে ফেলা অসম্ভব ছিল না।
কাছে গিয়েও টেস্ট ক্রিকেটে দ্বিতীয় শতরানের স্বাদ পাননি মিরাজ। নবম উইকেট পতনে সেঞ্চুরি নিয়ে শঙ্কা জাগলেও স্বপ্নের তিন অঙ্কের ঠিকানার কাছে গিয়ে মিরাজ নিজেই ভুল করে বসেন। ব্যক্তিগত ৯৭ রানে কাগিসো রাবাদার বলে স্লিপে মুল্ডারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। বাংলাদেশের ইনিংসও থামে তিনশ পেরিয়ে।
প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে মিরাজ ও জাকের আলির ব্যাটে চেপে তিনশ পেরোয়। মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে সাউথ আফ্রিকাকে ১০৬ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয়।
চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরাজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দিনও জেগেছিল শঙ্কা। এবার যখন ক্রিজে আসেন বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৫ উইকেটে ১০৫ রান। ১১২ রানের মাথায় ফিরে যান লিটন দাস।
জাকেরকে নিয়ে শতরানের জুটি উপহার দিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কা কাটান। এনে দেন লিড। তবে সেটি খুব বড় হয়নি। ৮৯.৫ ওভারে ৩০৭ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। রাবাদা একাই নেন ৬ উইকেট। কেশভ মহারাজের শিকার ৩ উইকেট।








