সপ্তাহ আগে বার্সার যুব একাডেমির প্রধান আলবার্ট বেনেগের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। বেনেগ অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিষয়টির তদন্ত চলছে। সেক্ষেত্রে বার্সা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে সবধরনের সহায়তা করার নিশ্চয়তা দিয়েছে।
বার্সেলোনা সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা বলেছেন, তদন্তের মাধ্যমে সঠিক তথ্য উঠে আসা জরুরি। অগ্রগতির জন্য সর্বাত্মক সহায়তা করতে প্রস্তুত ক্লাব। ভুক্তভোগীদের পাশে থাকারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
‘অবশ্যই আমরা সহিংসতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে। আমাদের ক্লাবের মধ্যে এধরনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা সেব্যাপারে তদন্তের জন্য পুলিশের সাথে সমন্বয় করছি। আমরাও চাই না ব্যাপারটা ধামাচাপা পড়ুক। যদি কোনো অভিযোগের সত্যতা মেলে, স্বচ্ছতার সাথে পদক্ষেপ নেব। সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের পাশে আছি আমরা।’
বেনেগ ১৯৯২-২০১২ পর্যন্ত ২০ টানা বছর বার্সার যুব একাডেমি লা মাসিয়ার প্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন। তার সময়েই উঠে আসেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, জাভি হার্নান্দেজেরা। ২০১২ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব আল ওয়াসলের সাথে যুক্ত হন তিনি।
গত মার্চে লাপোর্তা ফের প্রেসিডেন্ট পদে আসার পর বেনেগকে যুব একাডেমির প্রধান পদে ফিরিয়ে আনেন। বার্সা সভাপতি অবশ্য বলেছেন, অভিযোগের ব্যাপারে আগে থেকে জানা থাকলে তারা বেনেগকে ফেরাত না।
১৯৮০-এর দশকে বেনেগ কাতালান শহরের একটি স্কুলে শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন। অভিযোগ এসেছে মূলত বেনেগের স্কুলের শিক্ষার্থীদের থেকে। শিক্ষার্থীদের সামনে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গিসহ যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে ৭১ বছর বয়সী প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এপর্যন্ত ৬০ জন প্রত্যক্ষদর্শীর সাথে কথা বলেছে পুলিশ। যাদের মধ্যে একজন আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন। তবে বার্সেলোনায় বেনেগের সাবেক শিষ্যদের কারো থেকেই কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের কারণে বেনেগ গত সপ্তাহে বার্সায় তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। বলেছেন, ‘কখনো কাউকে আঘাত করিনি, যদি করে থাকি সেটা একদমই অনিচ্ছাকৃত। আমার পাঁচজন সন্তান আছে। আমার স্মৃতিশক্তি একদম পরিষ্কার, কখনোই তাদের কোনকিছুর জন্য জোর করিনি এবং অবশ্যই আমি পেডোফিলিয়ার বিরুদ্ধে।’








