বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেছেন বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ এই আইনের পক্ষে। আমাদের নিজস্ব পণ্য পাটের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ প্রস্তুত। এই আইনের প্রতি সবাই শ্রদ্ধাশীল থাকায় কঠোর হতে হচ্ছে না তাদের। আমাদের শতভাগ সফলতা পেয়ে গেছি এটা আমরা বলতেই পারি। কারণ এখান থেকে ফেরার কোনো রাস্তা নাই।
পাটজাত মোড়ক বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন প্রয়োগে সহযোগিতা পাওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি অভিনন্দন জানিয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।
আইনটি প্রয়োগে দেশব্যাপি শুরু হওয়া সমন্বিত অভিযানের দ্বিতীয় দিনে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আইনটি প্রয়োগে সফল হতে পারলে পাটের সোনালী অতীত ফেরানো যাবে।
চাল, ডাল, চিনিসহ ৬টি পণ্যে পাটজাত মোড়ক বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন প্রয়োগে সারাদেশে চালানো অভিযানেই সাড়া পাওয়া যাচ্ছে ভালো।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট এবং কচুক্ষেত মার্কেটে মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম পরিদর্শনের গিয়ে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী অভিযানের প্রাথমিক সাফল্যের খবর জানান।
মির্জা আজম বলেন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে পাটের প্রতি ভালবাসা রয়েছে। দেশ প্রেম আছে বলে নির্ধারিত সময়ের দশদিন আগের থেকেই তারা প্লাস্টিক ব্যাগ আনা বন্ধ করে দিচ্ছে। যদি আর প্লাস্টিক ব্যাগ না আসে তাহলেই তো আমরা সফল হব।
‘আমাদের কাছে সারা দেশের তথ্য রয়েছে। জরিমানা ২০ লক্ষ টাকা কোনো বিষয় না কিন্তু মানুষের মধ্যে পাট নিয়ে দেশপ্রেম জাগ্রত হয়েছে। কিছু মানুষ রয়েছে যারা বিরোধিতা নয় তারা অজুহাত দিচ্ছে।একশো শতাংশ পাটের ব্যাগ আমরা মজুত করেই এই আন্দোলনে নেমেছি।’
দুই দিনে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে প্রতীকী অর্থে জরিমানা করা হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, পাটের সোনালী অতীতে ফেরার প্রচেষ্টায় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে জনগণ সবাইকে সচেতন করে তোলার মূল উদ্দেশ্যও সফলতা পেয়েছে বলে মনে করছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।







