শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে পাকিস্তানের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আজ সোমবার বিকেলে সিন্ডিকেটের সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ঢাবি উপাচার্য।
ঢাবি’র পক্ষ থেকে বলা হয়, আজ ১৪ ডিসেম্বর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সম্পর্ক ছিন্ন করা হলো। যদি দেশটি গণহত্যার জন্য ক্ষমা চায় ও গণহত্যায় জড়িত পাকিস্তানি সেনাদের বিচার করে তাহলে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের বিষয়টি ভেবে দেখা হবে।
গত ১ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অপরাজেয় বাংলা’র পাদদেশে আয়োজিত বিজয়ের প্রথম প্রহরে উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ঘোষণা দেন, পাকিস্তানের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো সম্পর্ক থাকবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ছাত্র বা শিক্ষক প্রতিনিধি এখন থেকে পাকিস্তানে যাবেন না।
সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দেয় পাকিস্তান।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করায় ২৩ নভেম্বর পাকিস্তানের হাইকমিশনার সুজা আলমকে তলব করে এর কড়া প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ।
তবে ৩০ নভেম্বর পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে ডেকে গণহত্যার দায় সম্পূর্ণ অস্বীকার করে দেশটি। তাদের এই ঔদ্ধত্যের প্রতিবাদে পাকিস্তানের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি উঠে।







