পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মদদে একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় অংশ নিয়েছিলো ৫ জঙ্গি সংগঠন। যারা আফগান যুদ্ধ শেষে তালেবানি কায়দায় বাংলাদেশে নাশকতার উদ্দেশ্যে কাজ শুরু করেছিলো। এদের সংগঠিত করা হয় হাওয়া ভবন থেকে তারেক রহমানের নেতৃত্বে।
আদালতে দেয়া সাক্ষী-জেরায় এই তথ্য দিয়েছেন মামলার সর্বশেষ সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ।
একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার সর্বশেষ সাক্ষী ও তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দ টানা কয়েকটি কার্যদিবসে ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন।
এরপর তাকে কয়েকজন আসামির পক্ষ থেকে এরইমধ্যে জেরা করা হয়েছে। সোমবার হরকাতুল জিহাদের শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নানের পক্ষে তাকে জেরা করেন আইনজীবীরা।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রমহান বলেন: জেরার মাধ্যমে ওঠে এসেছে পাঁচটি জঙ্গি সংগঠনের নাম। এছাড়াও আইএসআই’র সহযোগিতা ছিলো। তারা আফগান যুদ্ধ শেষে বাংলাদেশে তালেবানি কায়দায় সংগঠন গড়ে দেশে নাশকতা শুরু করে। এছাড়া, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করা পরিকল্পনা ছিলো তাদের।
ওই জেরার জবাবে হামলাকারী কয়েকটি জঙ্গি সংগঠনের নাম বলেন আবদুল কাহার আকন্দ। ওই জঙ্গি সংগঠনগুলোর উদ্দেশ্য কী ছিলো তা-ও তুলে ধরেন তদন্ত কর্মকর্তা।
জেরায় মুফতি হান্নানের আইনজীবীরা হুজি নেতা মুফতি হান্নানকে নির্দোষ দাবি করে তদন্ত কর্মকর্তাকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেন।
তবে তারা সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে কোন কথা বলেননি। মুফতি হান্নানের চলমান জেরা শেষ হবে মঙ্গলবার।








