বিজয় ঝড়ো শুরু করে যাওয়ার পর একই পথে এগোচ্ছিলেন তামিম-সাকিবও। পনেরো ওভারের পর রানের গতিতে খানিকটা লাগাম আসে। সেটা থেকে রেরোনোর চেষ্টাতেই তামিমের উইকেট বিলিয়ে আসা! পরে ফিরে গেছেন সাকিবও। এরপরও পথেই আছে বাংলাদেশ।
গায়ানায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছুঁড়ে দেয়া ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৫তম ওভারেই একশ ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। তার আগে ৪.৪ ওভারে আসে দলীয় অর্ধশতক। ৪০ ওভার পেরিয়ে ৩ উইকেটে দু্ইশর কাছে পৌঁছেছে পুঁজি।
উদ্বোধনীতে তামিমের সঙ্গে যোগ করা ঝড়ো ৩২ রানের ২৩-ই তুলে দিয়ে যান এনামুল হক বিজয়। উইকেট ছেড়ে এসে পাগলাটে শট খেলতে যেয়ে পেসার জোসেপের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন এ ডানহাতি ওপেনার। ২টি করে চার ছক্কায় ৯ বলে ২৩ রানের ইনিংস তার।
বিজয় ফিরলেও ঝড়ো গতিতে রান তোলা থামাননি তামিম ইকবাল। সঙ্গে যোগ হন সাকিব আল হাসান। দুজনে জুটিটা ৯৭ রান পর্যন্ত টেনে নেন। শেষদিকে একটু স্লথ হয়ে আসে জুটির রান তোলার গতি। তামিম ফিফটি পেরিয়ে আরেকবার পাল্টা আঘাতের জন্য তোড়জোড় করেন। শেষপর্যন্ত উইকেট দিয়ে ফেরেন।
২৫তম ওভারের শেষ বলে দেবেন্দ্র বিশুকে উইকেট ছেড়ে মারতে যেয়ে স্টাম্পড হন তামিম। আগের ম্যাচে অপরাজিত সেঞ্চুরি করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন। এদিন থামলেন ৫৪ রানে। তবে এদিনও বলের সঙ্গে পল্লা দিতে পারেননি। খেলেছেন ৮৫ বল, ইনিংসে ৬টি চারের মার।
ফিফটি ছোঁয়ার পর রিভিউ নিয়ে বেঁচে যাওয়া সাকিবও রানের জন্য তাড়াহুড়ো করতে যেয়ে উইকেট ছুঁড়ে এসেছেন। পলের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন নার্সের বলে। ফেরার আগে ৫ চারে ৭২ বলে ৫৬ রানের অবদান তার।
উইকেটে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যাওয়া মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে মুশফিকুর রহিম সিরিজ জয়ের পথ সুগম করতে লড়ছেন।
এর আগে শিমরন হেটমায়ারের সেঞ্চুরিতে (১২৫) সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ২৭১ রানের পুঁজি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।








