মঙ্গলবার দুপুরে ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে নেপালে মৃতের সংখ্যা ৪২ জন, আহত হাজারেরও বেশি মানুষ। ভারতে মৃতের সংখ্যা ১৭ জন, আহত ৩৯ জন।
ভারতে নিহতদের ১৬ জনই বিহারের বাসিন্দা। একজন উত্তর প্রদেশের।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ১০ মিনিটে ভূকম্পন অনুভূত হয়। ৭.৩ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিলো নেপালের কোডারি এলাকার ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বে। ভূমিকম্পে নেপালে বেশ কিছু ভবন ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে।
ভূমিকম্পের পর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাঠমান্ডু বিমানবন্দর। শুধু নেপাল নয়, ভারত, চীন ও বাংলাদেশেও অনুভূত হয় ভূমিকম্প।
ভারত তাদের বিমান বাহিনী এবং জাতীয় দুর্যোগ মোকাবেলা ফোর্সকে এরইমধ্যে তৈরি রেখেছে। বিহারের স্কুলগুলোতে ভূমিকম্পের জন্য গ্রীষ্মকালীন ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ১৬ মে থেকে ওই ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিলো।
এর আগে গত ২৫ এপ্রিল ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্প হয় নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশে। ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল নেপালের পোখারার লামদুং-এ। শক্তিশালী ওই ভূমিকম্পের পর কয়েকদিন নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশে কয়েক দফা ভূমিকম্প হয়। ২৫ এপ্রিলের ভূমিকম্পে নেপালে নিহত হয় প্রায় ৮ হাজার মানুষ।







