সামাজিক যোগাযোগের বেশ কিছু মাধ্যম বন্ধ করার পর টেলিটকের ভোক্তাদের জন্য কিছু ইউআরএল বন্ধ করতে গিয়ে বাংলাদেশী বেশ কিছু সাইট বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে দেশীয় বেশ কিছু সাইট দেখতে গিয়েও সমস্যা হয় ভোক্তাদের। ভোক্তারা একে চরম অব্যবস্থাপনা মনে করলেও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিরাপত্তার স্বার্থে ইন্টারনেটের কোনো একটি অংশ বন্ধ করতে গিয়েই বাকিগুলোও বন্ধ হয়ে গেছে।
ইন্টারনেট গেটওয়ে অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী জেনারেল সরোয়ার আলম শিকদার বলেন, ইন্টারনেটের নির্দিষ্ট কোনো আইডি বন্ধ করা যায় না। সেক্ষেত্রে সবগুলোই বন্ধ করে দিতে হয়। আর এই ব্লক করতে গিয়েই বিপত্তিটা বেঁধেছে। পরে সমস্যাগুলো একটা একটা করে সামনে আসলে সেটার সমাধানে চেষ্টা করা হয়। তাই এই সমস্যাগুলোতে ভুগছেন সাধারণ মানুষ।
তবে এই সমস্যার তেমন কোনো স্ট্যান্ডার্ড সমাধান নেই বলেই জানালেন সরোয়ার আলম শিকদার, কারো কাছ থেকে কোনো একটি সাইটের বিষয়ে অবজেকশন আসলে আমরা সেটা ঠিকঠাক করে দিচ্ছি। হয়তো এর ফলে একটু সমস্যা পোহাতে হচ্ছে সাধারণ জনগণের কিন্তু সেটা তাদের মেনে নেওয়াই উচিত। যতদিন না বিটিআরসি বা রেগুলেটরি কমিশন থেকে নির্দেশনা আসছে ততদিন এসব বন্ধ করে দেওয়া সেবা অন্তত ওপেন করা যাচ্ছে না।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের(আইএসপিবি) সভাপতি এম এ হাকিম বলেন, ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকগুলো পথ থাকে। সেখানে কেউ একটি পথ দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার না করতে পারলে অন্য পথ দিয়ে সেবা নেওয়া শুরু করে। এরপর দেখা যাচ্ছে সেই পথটিও বন্ধ করে দিতে হয়। এসব করতে গিয়েই এমন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ইন্টারনেটের একটি সেবা বন্ধ করতে গিয়ে সবগুলো ইন্টারনেট সেবাই বন্ধ হয়ে পড়ে। আর তার ফলে এই সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
তবে এরপরও ভিন্ন উপায়ে সবাই ব্যবহার করছে। ফলে এই অব্যবস্থাপনা দেখা যাচ্ছে। তবে পুনরায় সরকারি সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত এই সমস্যা দূর হবে না বলেও জানান তিনি।
রাষ্ট্রীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিয়াসউদ্দীন আহমেদ জানান, অন্য কিছু সাইট বন্ধ করতে গিয়েই মূলত সব সাইট বন্ধ হযে গিয়েছিলো টেলিটক ভোক্তাদের জন্য।
তবে দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে এটুকু কষ্ট করা উচিত দেশের মানুষের, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।







