নিজ দেশে বহুবার ফিরেছেন কোরিয়ান নির্মাতা বং জুন হো। কিন্তু এবারের ফেরা ছিল একটু ভিন্ন। চারটি অস্কার নিয়ে রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ায় ফিরেছেন তিনি। আর তাই তাকে বরণ করে নেয়া হয়েছে শুভেচ্ছা ও করতালিতে।
এয়ারপোর্টে জুন হো’র অপেক্ষায় ছিলেন ৩০০ রিপোর্টার এবং অনেক ভক্ত। বং জুন হো কে বরণ করে নিতে তারা অপেক্ষায় ছিলেন।
করোনা আতঙ্কের মাঝে যেন প্রশান্তি এনে দিয়েছে ‘প্যারাসাইট’র অস্কার জয়। আর তাই উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যেও করোনা প্রসঙ্গ টেনে বং জুন হো বলেন, ‘করোনা ভাইরাসকে এত ভালভাবে মোকাবিলা করার জন্য আমি আপনার সকলকে একসাথে সাধুবাদ জানাতে চাই। আপনাদের সঙ্গে এই প্রয়াসে যোগ দিতে ভালো করে হাত ধোবো। দেশে ফিরে ভালো লাগছে।’
অস্কারের ইতিহাসে প্রথম কোনো এশীয় ছবি হিসেবে তোলপাড় ফেলে দিয়েছে কোরিয়ান ছবি ‘প্যারাসাইট’। ছবিটি পুরস্কৃত হয়েছে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে। বিদেশি ভাষা বিভাগ ছাড়াও অস্কারে সেরা নির্মাতা, সেরা ছবি এবং সেরা মৌলিক চিত্রনাট্য’র পুরস্কার জিতে নিয়েছে বং জুন হো’র ‘প্যারাসাইট।’
চার সদস্যের একটি পরিবারের গল্প দিয়ে ছবির কাহিনী শুরু হয়। দরিদ্র সীমার নিচে বাস করা সেই পরিবারটি পিজার বাক্স বানায়। একদিন পরিবারের ছেলে সন্তানটি আবিষ্কার করে তাদের বাসা থেকে কয়েকটি সিঁড়ি উপরে উঠলেই ওয়াইফাই পাওয়া যায়। ভালো থাকার চেষ্টায় একসময় ছেলেটি ও মেয়েটি ধনীর সন্তানদের পড়াতে এবং ছবি আঁকা শেখাতে যায়। একসময় তাদের মনে হয়, নিজের বাড়ির চাইতে অন্যের বাড়িতেই তাদের বেশি ভালো লাগছে। কারণ সেখানে সব সুযোগসুবিধা পাওয়া যায়। এভাবেই আগাতে থাকে ছবির গল্প।








