চলতি বছরের অক্টোবর বা নভেম্বরে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল হতে পারে। বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শিগগিরই দল গোছানোর উদ্যোগ নেবেন। অতীতে যারা আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছেন তাদেরকে সম্মানজনক জায়গায় রেখেই তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে আসা হবে।
২০১৪’র নির্বাচনের আগে থেকেই নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে ছিলো বিএনপি জোট। এরপরের আন্দোলন মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে। সরকারের পুনর্নির্বাচনের এক বছর পূর্তিতে ৫ জানুয়ারি থেকে টানা ৯০ দিন অবরোধ কর্মসূূচিও পালন করে তারা। তাতে দাবি পূরন হয়নি, বরং দলের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিএনপির নীতি নির্ধারকরাও দলকে সুসংগঠিত করা প্রয়োজন মনে করছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আমাদের চেয়ারপারসন নিজেই উদ্যোগ নিয়েছেন দল গোছাবেন। তিনি খোজখবর নিয়ে নেতৃত্ব কাকে দিবেন সিদ্ধান্ত নেবেন। অতীতে যারা ব্যর্থ হয়েছে তাদেরকে স্ব-সম্মানে রেখে নতুন নেতৃত্ব আসবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রি: জেনারেল (অব:) হান্নান শাহ বলেন, উনি যেভাবে আমাদের ব্রিফ করেছেন- অঙ্গ সংগঠন এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে উনি কাজ শুরু করবেন। পরবর্তীতে বাকিগুলো হবে।
বিগত আন্দোলনে প্রশ্ন উঠেছে বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে। দলের সিনিয়র নেতারা এবং উপদেষ্টারাও স্বীকার করেছেন দলে তরুণ নেতৃত্ব প্রয়োজন।
তরুণ নেতৃত্ব প্রসঙ্গে হান্নান শাহ আরও বলেন,আমাদের ভেতর অনেকে আছেন বেশি বয়স্ক হয়ে গেছে। যারা কাজ করতে পারেন না। যারা কাজ করতে পারবেন না তাদেরকে রেখে দল কতটুকু উপকৃত হবে সেটা উনি ভালো বুঝবেন। আবার যদি না রেখে ভালো হয় সেটাও উনিই ভালো বুঝবেন।
তবে সব কিছু কাউন্সিলের মাধ্যমেই করা হবে উল্লেখ করে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ম্যাডামের ক্ষমতা আছে। তবে উনি চাচ্ছেন সব কিছু কাউন্সিলের মাধ্যমে করতে। আর কাউন্সিল তো উনি বলেছেন অক্টোবর-নভেম্বর মাসে হবে। যুবদল-ছাত্রদল-সেচ্ছাসেবক দল ওইসব দলে যারা আছে, যাদের কিনা আর বয়স নেই, ঐসব দলে থাকার তাদের হাতে যদি দল তুলে দেওয়া হয় তাহলে দল অনেক শক্তিশালী হবে।
বিএনপি নেতারা মনে করছেন, দলকে নতুন করে সংগঠিত করলে যেমন কাজে গতি আসবে তেমনি চাঙ্গা হবে তৃণমূল নেতারাও।







