বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে উদ্ধৃত করে খবর প্রকাশের প্রেক্ষাপটে প্রতিমন্ত্রীসহ দুই সম্পাদককে তারেকের পক্ষে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
তারেক রহমানের পক্ষে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সোমবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।
নোটিশে বলা হয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন এবং ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ ও ‘কালের কন্ঠ’ পত্রিকায় যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে ওই দুই পত্রিকার সম্পাদক ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।
তা না হলে দেওয়ানী ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
এর আগে নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী বলেন: তারেক রহমানকে নিয়ে মিথ্যাচার করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রিজভীর দাবি তারেক রহমান চিকিৎসার জন্য লন্ডনে আছেন এবং পাসপোর্ট জমা দেয়ার সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হওয়ার পর দুর্নীতিসহ বিভিন্ন মামলার মুখে পড়েন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান। পরের বছর জামিনে মুক্ত হয়ে লন্ডন চলে যান তিনি। তারপর থেকে স্ত্রী-কন্যা নিয়ে সেখানেই অবস্থান করছেন তারেক।







