তরুণ ক্রিকেটার তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভর করে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন টি-টুয়েন্টিতে জয় পেয়েছে উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাব। মঙ্গলবার ফতুল্লাহর খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতিকে ৬ উইকেটে হারায় উত্তরা স্পোর্টিং।
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি। বৃষ্টির কারণে ম্যাচের প্রতি ইনিংসের দৈর্ঘ্য কমে আসে ১৭ ওভারে। উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাবের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় খেলাঘর।
দলীয় ৮ রানেই দলটি হারায় ওপেনার সাদিকুর রহমানকে। ওয়ান ডাউনে নামা অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন সাজঘরে ফেরেন নামের পাশে কোনো রান যোগ করার আগেই। একটু পরে ফেরেন আগের ম্যাচের হাফসেঞ্চুরিয়ান রবিউল ইসলাম রবিও।
মাত্র ২৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ের শঙ্কায় পড়ে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি। তবে বিপর্যয় সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন রাফসান আল মাহমুদ ও মইনুল ইসলাম। দুজনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দল পায় সম্মানজনক সংগ্রহ। ৩টি চারের সহায়তায় রাফসান ২৪ বলে ২৮ এবং ২টি চার ও ১টি ছক্কার সহায়তায় মইনুল ২২ বলে ২০ রান করেন।
অন্যান্যদের মধ্যে দুই অঙ্কের রানের দেখা পেয়েছেন রবিউল হক। ১৫ বলের মোকাবেলায় তার ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। নির্ধারিত ১৭ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০৯ রান।
উত্তরার হয়ে আব্দুর রশিদ ও সাজ্জাদ হোসেন দুটি করে এবং নাহিদ হাসান, মোহাইমিনুল খান ও নাইমুল ইসলাম একটি করে উইকেট নেন।
রান তাড়া করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে উত্তরা ও। দলীয় ৫ রানেই দলটি হারায় ওপেনার আনিসুল ইসলাম ইমনকে। এরপর তানজিদ হাসান একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলে গেলেও একে একে সাজঘরে ফেরেন জনি তালুকদার ও অধিনায়ক মোহাইমিনুল খানও।
তবে তানজিদকে সাথে নিয়ে বিপর্যয় সামাল দেন মিনহাজ খান। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটি দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেয়। ২৮ বলে ২৮ রান করে মিনহাজ ফিরলেও তানজিদ ৫৭ বলে ৭২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচ জয়ের নায়ক তানজিদের ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৩টি ছক্কা। ৭ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় দল। পরে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তানজিদ।








