নওশাবা। কাজী নওশাবা আহমেদ। চ্যানেল আইয়ের মেগা ধারাবাহিক ‘সাত ভাই চম্পা’য় অভিনয় করছেন। কোটি টাকা খরচে নির্মিত এই ধারাবাহিকে ফুটে উঠবে লোকজ গল্প সাত ভাই চম্পার কাহিনী। গত ২১ এপ্রিল শুক্রবার শুরু হয়েছে শুটিং। সাত ভাই চম্পায় অভিনয় ও তার চরিত্রের নানা দিক নিয়ে কথা বলেন চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে।
কেমন আছেন?
অসাধারণ, খুবই খুবই খুবই এক্সাইটেড।
কেন?
এই যে সাত ভাই চম্পায় অভিনয় করতে যাচ্ছি।
এর আগে তো নাটকে, চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তখনো এমন উচ্ছ্বসিত ছিলেন?
এত বেশি ছিলাম না। কারণ এটা আমার জন্য স্পেশাল একটা কাজ।
কেমন স্পেশাল?
আমরা সাত ভাই চম্পার গল্প শুনে বড় হয়েছি। আমার কল্পনা জগতে গল্পগুলো বিশাল একটা জায়গা করে নিয়েছে। সেই গল্পের এত বড় ধারাবাহিকে অভিনয় করছি। এবং রাজা, রানী, রাজকুমারীর চরিত্রগুলোর মধ্য দিয়ে অনেক অনেক আদর্শ উপস্থাপন করব বাচ্চাদের জন্য।
রূপকথার গল্পে এবারই প্রথম?
হ্যাঁ। আমাদের দেশে রূপকথা নিয়ে কাজ কম হয়। এতদিন কোনো কাজ হচ্ছে না কেন সেটা নিয়ে আমার আক্ষেপ ছিল। আক্ষেপটা ঘুচতে যাচ্ছে।
সাত ভাই চম্পায় আপনার চরিত্র সম্বন্ধে বলুন।
খুব বড় একটা চরিত্র। আমি রাজার বোন। শাহজাদী। চম্পার ফুপী। বিরাট ব্যাপার। এতগুলো ভাবী নিয়ে বসবাস। আমার ভাবই আলাদা হা-হা-হা।
এত বড় ধারাবাহিকে রাজকুমারী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য নিশ্চয়ই বিশেষ প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে?
হ্যাঁ। বড় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য মানুষিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নিতে হয়। আমার প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
কীভাবে প্রস্তুতি নিলেন?
মানুষিক প্রস্তুতিটা সেই ছোটবেলা থেকেই তো নিচ্ছি। কারণ আমি আসলে রূপকথায়ই বাস করি। এখনো ঠাকুরমার ঝুলি পড়ি। এখনো ফেরিটেল দেখি। এখনো সব এনিমেশন দেখি। ফলে আমার ভেতর রূপকথা অথবা রূপকথার ভেতর আমি, সবসময়ই থাকি। আমি এমনিতেই রাজকুমারী রাজকুমারী। ফলে মানুষিক প্রস্তুতি ছোটবেলা থেকেই নিচ্ছি।
শারীরিক প্রস্তুতির কথা বলছিলেন?
হ্যাঁ, আমি একজন রাজকুমারী। আমাকে ঘোড়া চালাতে হবে। তলোয়ার চালাতে হবে। প্রায় একমাস ধরে মারপিট শিখছি। তলোয়ার চালানো শিখছি। কাল থেকে ঘোড়া চালানো শুরু করব। তীর-ধনুক চালানো শিখছি।
ধারাবাহিক নিয়ে প্রত্যাশা কী?
আমি চাই বাচ্চারা দেখুক। বাচ্চাদের কাছাকাছি যাওয়াই আমার উদ্দেশ। জানি না বড় রা কী দেখবে। কিন্তু আমি বাচ্চাদের হিরোইন হতে চাই।
চম্পার চরিত্রে কে অভিনয় করছেন?
চম্পার তো এখনো জন্মই হয়নি। সেটা কীভাবে বলি?
একটু অন্য প্রসঙ্গে আসা যাক। আপনি তো সিসিমপুরেও কাজ করতেন?
হ্যাঁ, আমি ইকরি চরিত্রে কাজ করেছি।
তখন তো বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করেছেন। এখন তেমনটি দেখা যায় না? বাচ্চাদের মিস করেন না?
ভীষণ মিস করি। আমি সবসময় বাচ্চাদের কাছাকাছি থাকতে চেয়েছি। আমার মনে হচ্ছে ‘সাত ভাই চম্পা’ বাচ্চারা খুব মজা নিয়ে দেখবে। কারণ রূপকথা বাচ্চাদের আকর্ষণ করে সবচে বেশি। এই ধারাবাহিক দিয়ে আবার বাচ্চাদের কাছে ফিরে যেতে চাই।
ধন্যবাদ, আপনার জন্য শুভকামনা।
চ্যানেল আই অনলাইনের জন্যও শুভকামনা ও ধন্যবাদ।
ছবি : জাকির সবুজ








