ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের অবৈধ সুবিধে নেওয়ায় গুগলকে অভিযুক্ত করেছিলো ইউরোপিয় ইউনিয়ন(ইইউ)। সম্প্রতি একই রকম প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুক। প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে ফেসবুক ইউরোপের কোনো নিয়ম ভাঙছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে ইইউ।
অন্তত ৫টি তথ্য সুরক্ষা পর্যবেক্ষেণ সংস্থা ফেসবুকের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ফেসবুক ইউরোপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ডাটা স্থানান্তর বহাল রাখতে পারবে কিনা, সে বিষয়ে আগামীমাসে সিন্ধান্ত নেবেন ইউরোপের শীর্ষ আদালত।
তদন্ত বিষয়ে ফেসবুকের ইউরোপ অঞ্চলের নীতি-নির্ধারক দলের পরিচালক রিচার্ড অ্যালেন জানিয়েছেন, তারা ইইউর তদন্তে ভীত নন। বর্তমান ইস্যু নিয়ে যথাযথ তদন্ত হবে বলেই মনে করেন তিনি।
এরআগে বেলজিয়ামের প্রাইভেসি প্রটেকশন কমিশন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার নীতিমালা (প্রাইভেসি) লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এ নীতিমালা পরিবর্তন করে শীর্ষ যোগযোগ এ মাধ্যমটি। সম্প্রতি তা যাচাই-বাছাই করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বেলজিয়াম।
জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স ও স্পেনের নাগরিকদের গোপনীয়তা রক্ষা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করে প্রটেকশন কমিশন। নিজেদের প্রতিবেদন প্রকাশের আগে ফেসবুকের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছিলো কমিশন। তারা ফেসবুকের ট্র্যাকিং সিস্টেম থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহারকারীকে প্রাইভেসি সফটওয়্যার ইনস্টল করার পরামর্শ দিয়েছে। এমনকি ফেসবুকে যাদের অ্যাকাউন্ট নেই, তাদেরকেও সর্তকতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।







