নির্মাতা মৃত্তিকা গুণের প্রথম ছবি ‘কালো মেঘের ভেলা’ মুক্তি পেয়েছিলো ২০১৯ সালে। রাজধানীর বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্স ও যমুনা ব্লকবাস্টারে ছবিটি দেখেছেন সাধারণ দর্শক। প্রশংসাও পেয়েছেন বেশ।
সেই ছবিটিই এবার ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ১৯তম আসরে দেখতে পারবেন দর্শক।
শনিবার (১৬ জানুয়ারি) পর্দা উঠছে দেশের সবচেয়ে বড় চলচ্চিত্র উৎসবের। আর এই চলচ্চিত্র উৎসবে দেশ বিদেশের দুই শতাধিক সিনেমার সাথে জায়গা করে নিয়েছে মৃত্তিকা গুণের পরিচালনায় সরকারি অনুদানে নির্মিত ও ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত ‘কালো মেঘের ভেলা’।
চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি ‘বাংলাদেশ প্যানারোমা’ বিভাগে দেখানো হবে। উৎসবের শেষ দিন অর্থ্যাৎ ২৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় শাহবাগের পাব্লিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে ছবিটি দেখতে পারবেন দর্শক।
দেশের সবচেয়ে বড় চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি জায়গা করে নেয়ায় উচ্ছ্বসিত নির্মাতা মৃত্তিকা গুণ। জানালেন, দেশের বাইরে একাধিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে ছবিটি, কিন্তু দেশের সবচেয়ে বড় উৎসবে নিজের ছবি মনোনীত হওয়ার বিষয়টি আরো বেশি আনন্দের। ছবিটির সাথে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
এরইমধ্যে ‘কালো মেঘের ভেলা’ ২০১৯ সালের সিনেমা হিসেবে শ্রেষ্ঠ গীতিকার (নির্মলেন্দু গুণ) ও শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (নাইমুর রহমান আপন) বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছে।
স্বল্পদৈর্ঘ্যের জন্য সরকারি অনুদান পেলেও বহু খাটাখাটনি করে গল্পটিকে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে রূপ দিয়েছেন মৃত্তিকা গুণ। ছোটদের মনস্তাত্বিক বিষয় নিয়ে ছবি করলেও নির্মাতা মনে করেন, ‘কালো মেঘের ভেলা’ ছবিটি শুধু ছোটদের নয়, এটি প্রাপ্ত বয়স্ক ও মনস্কদের ছবি।
ছবির চিত্রনাট্য করেছেন প্রয়াত ফারুক হোসেন। ছবির বেশিরভাগ অংশের শুটিং হয়েছে কবি নির্মলেন্দু গুণের গ্রাম বারহাট্টায়। এছাড়া কমলাপুর, পুবাইল, তেজগাঁও বস্তিতেও শুটিং সম্পন্ন করেছেন মৃত্তিকা গুণ। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র মা ও ছেলে। যেখানে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রুনা খান ও ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন পিদিম থিয়েটারের আপন।








