বিভিন্ন প্রতিরোধ যুদ্ধে মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানীদের হাতে গ্রেফতার হলে তাদের ক্ষুধার্ত বাঘের খাঁচায় ছেড়ে দেয়া হতো। সে সময় বাঘের খাঁচা থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন পঞ্চগড়ের বোদার আলম চৌধুরী।
এছাড়া এ অঞ্চলের কয়েকশ নিরীহ মানুষকে ভারতে পাঠানোর নামে একত্র করে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।
মহান মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাসে ঠাকুরগাঁও বাংলাদেশের একমাত্র মহকুমা যা পাকিস্তানি সেনারা দখল করেছে পরে, কিন্তু মুক্ত হয়েছে সবার আগে। ১৭ এপ্রিল ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবেশ করে পাকিস্তানি হানাদাররা।
পঞ্চগড়ে শক্ত অবস্থানে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা যেনো ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য প্রথমেই শহরের প্রবেশ পথ ভুল্লি নদীর উপরের সেতুটি ভেঙ্গে ফেলে হানাদার বাহিনী। আজও যার অংশ বিশেষ পড়ে আছে। ঠাকুরগাঁও থেকে ভারতের পথে থাকা শরনার্থীদের আটক করে রাজাকাররা। পরে তাদের পাথরাজ নদীর পাড়ে এনে হত্যা করা হয়।
তবে খুব বেশি দিন ঠাকুরগাঁও দখলে রাখতে পারেনি হানাদারবাহিনী। ২১ নভেম্বর সাঁজোয়া যান নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রবেশ করে মুক্তিবাহিনী। ৩ ডিসেম্বর স্বাধীন হয় ঠাকুরগাঁও।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:
https://www.youtube.com/watch?v=cF_uRBtcQLE&feature=youtu.be








