দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট ‘সুনামি’র পর থেকে বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল দ্বীপ দেশ টোঙ্গা। সুনামির পর দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো প্রথমবারের প্রতিক্রিয়ায় এই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে ‘অপূরণীয় বিপর্যয়’ বলা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে সরকার তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যাদের মধ্যে দু’জন স্থানীয় এবং একজন ব্রিটিশ নাগরিক।
আরও বলা হয়েছে, দ্বীপগুলোতে সুনামি মারাত্মক ক্ষতি করেছে। সমস্ত ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। কেবল মাত্র দু’টি বাড়িই ধ্বংসলীলা থেকে রক্ষা পেয়েছে। আগ্নেয়গিরি থেকে ছাই পুরো দ্বীপে ছড়িয়ে পড়ার কারণে সাধারণ জনগণের মাঝে সাহায্য কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
গতকাল টোঙ্গার উপকূলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্ট সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে দেশটিতে পর্যবেক্ষক উড়োজাহাজ পাঠিয়েছে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।
এ ঘটনায় কমপক্ষে ৮০ হাজার মানুষ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বলে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (আইএফআরসি) আশঙ্কা করছে।








