টেক্সাসে হামলাকারী ডেভিন কেলির অপরাধের ইতিহাস জাতীয় ডাটাবেজে অন্তভূর্ক্ত করতে পারেনি মার্কিন বিমান বাহিনী। ২০১২ সালে পারিবারিক সহিংসতার কারণে বিমান বাহিনীর বহিস্কৃত সদস্য কেলির সামরিক আদালতে বিচার হয় বলে জানায় বিবিসি।
তখন থেকেই বন্দুক রাখা বা কেনার জন্য কেলির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। কিন্তু গত বছর সে একটি রাইফেল কেনে। রোববার এই রাইফেল দিয়েই গির্জায় হামলা চালিয়ে ২৬ জনকে খুন করে কেলি। পরে গুলিতে কেলিও নিহত হয়। অবশ্য সে আত্মহত্যা করেছে নাকি আইনশৃংখলা বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এক বিবৃতিতে মার্কিন বিমান বাহিনী জানায়, প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে কেলির সামরিক আইনের বিচারের তথ্য জাতীয় অপরাধ তথ্য কেন্দ্রের ডাটাবেজে ছিল না। এখন প্রতিরক্ষা বিভাগ তার অপরাধের ইতিহাস তদন্ত করছে।
টেক্সাস গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট বলেন, অস্ত্র কেনার জন্য কেলির আইনগত অনুমোদন ছিল না। কেনার পর তাকে বন্দুকের মালিক হিসেবেও স্বীকৃতি জানানো হয়।
গত বছর সান অ্যান্টোনিও শহরের একাডেমি স্পোর্টস প্লাস দোকান থেকে কেলি বন্দুকটি কেনে।








