মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার রাতে হঠাৎ করেই সোশ্যাল মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, টুইটার ব্যবহারকারীদের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রতিয়তা সবচেয়ে বেশি।
মূলত তিনি মধ্যরাতেই প্রতিনিয়ত টুইট করতেন। এই প্লাটফর্মের মধ্য দিয়ে ট্রাম্প পুরোবিশ্বের কাছে তার রাজনৈতিক পলিসি এবং মার্কিন প্রশাসনের পরিবর্তনের বার্তা দিতেন। কিন্তু হঠাৎ কোন কারণ না দেখিয়ে গত রাতে ঘোষণা দিয়ে বসলেন, তিনি আর টুইটার ব্যবহার করছে না।
ট্রাম্পের এমন রহস্যপূর্ণ বার্তায় ৫ কোটি ফলোয়ারের উদ্দেশে আরও বলা হয়েছে, ‘টুইটার আমার কাছে ফান ক্লাবের মতই। কিন্তু এখন আমি সত্যিই ক্লান্ত আমাকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে করা ট্রলের কারণে।’
তবে অনেক গণমাধ্যমের ধারণা ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্টি হ্যাক হতে পারে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার থাকায় এমনটা হতে পারে।
হোয়াইট হাউজ থেকে বলা হচ্ছে, শুধু সামাজিক মাধ্যম থেকে ট্রাম্প নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন না। বরং টুইট থেকে গুটিয়ে জনপ্রিয় ফটোশেয়ারিং মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের আগ্রহ বাড়াচ্ছে। আরও বলা হচ্ছে, ট্রাম্প যদিও একজন কর্মব্যস্ত মানুষ, কিন্তু টুইটারে তার আসক্তি ছিল ব্যাপক। তবে তিনি শুধু এই মাধ্যম দিয়েই আমেরিকানদের সাথে যোগাযোগ করতেন না। আরও অনেক মাধ্যম ব্যবহার করতেন যোগাযোগের জন্য।
তবে এই পুরো ঘটনাই সাজিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট। অনেকটা মজা করেই করা হয়েছে এই নিউজ। বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিয়ালডোনাল্ডট্রাম্প অ্যাকাউন্ট এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট দুটোই সচল আছে। ট্রাম্পের টুইট থেকে বিদায় বিষয়টি ‘কৌতুক’ হিসেবে করেছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।
২০০৯ সালের মার্চ মাসে টুইটারে যোগ দেন ট্রাম্প। রাজনীতিতে নিজের নৈতিক অবস্থান ও বিরোধী দলের সমালোচনা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে টুইট করেন ট্রাম্প।








