দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর ও গোপালপুর উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন। নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন অফিস। ইতিমধ্যে নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত সকল মালামাল বুঝে নিয়েছেন প্রিজাইডিং অফিসারগণ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় দুই উপজেলার ১২২ ভোট কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হয়েছে নির্বাচনী মালামাল।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেয়ার আশ্বাস থাকলেও কিছু কিছু ইউনিয়নের ভোটারগণ রয়েছেন সংশয়ে। প্রচারণার শেষদিন পর্যন্ত ছোট ছোট দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া তেমন কোন সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে কিছু ইউনিয়নে আওয়ামী বিদ্রোহী প্রার্থী এবং বিএনপি’র প্রাথীদের অভিযোগ রয়েছে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী-কর্মী-সমর্থকদের প্রতি। এমন অবস্থায় তাদের ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যেতে ভয় পাচ্ছে বলেও অভিযোগ-আশংকা করছেন তারা।
ইতিমধ্যে গোপালপুরের ৭ ইউনিয়নের ৬৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ এবং ভূঞাপুর উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের ৫৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ১২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন প্রশাসন।
জেলা নির্বাচন অফিস তথ্যমতে, দু’টি উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮১ হাজার ৯০৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৭ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ৪০ হাজার ৩৮১ জন।
ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১২২ টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা রয়েছে ৭৫৩ টি। দুই উপজেলায় ১৩ টি চেয়ারম্যান পদে মোট ৫৩ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪০২ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১২৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
সাধারণ সদস্য পদে গোপালপুর উপজেলায় ৫ জন ও ভূঞাপুর উপজেলায় ২ জন সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

দুই উপজেলার প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে ষ্টাইকিং ফোর্স ও ভ্রাম্যমান আদালত টহলে থাকবে।








