জানুয়ারির ১৭তে কোর্টে গড়াবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। আসর ঘিরে চাঁদের হাট বসছে মেলবোর্নে। এরমধ্যেই মহাতারকা নোভাক জোকোভিচের থাকা না থাকা নিয়ে চলছে অনিশ্চয়তার দোলাচল। হচ্ছে বিস্তর আলোচনা।
নয়বারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনজয়ী সার্বিয়ান ভ্যাকসিন নিয়েছেন কিনা সেটি প্রকাশ্যে আনতে ইচ্ছুক নন। টুর্নামেন্ট কমিটিকে ভ্যাকসিন সম্পর্কিত তথ্য না দিয়ে জোকো নিজেও যুগিয়ে চলেছেন আলোচনার রসদ।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের বস খ্যাত ক্রেইগ টাইলে অবশ্য বলছেন, ‘এখনো অনেক খেলা বাকি। ভ্যাকসিন কাহিনী শেষ করে মেলবোর্ন ওপেনে যোগ দিতে পারেন বিশ্বের অন্যতম সেরা টেনিস তারকা জোকোভিচ। ভিক্টোরিয়াতে কাজ করার প্রয়োজনীয়তায় সে ভ্যাকসিন গ্রহণ করেনি। যদিও ধারাবাহিকভাবে ভ্যাকসিন গ্রহণের খবর দিতে অস্বীকার করছে।’
নতুন নিয়মে করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিন গ্রহণ করেননি এমন কারো সুযোগ নেই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে নামার। বিপরীতে মেডিকেল ইস্যু দেখিয়ে আবেদন করতে পারেন ২১বারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ী সার্ব তারকা।
ভ্যাকসিন রহস্য না কাটিয়ে গত সপ্তাহে সার্বিয়ার এটিপি কাপের দল থেকে বাদ পড়েছেন জোকো। মেলবোর্ন আসরে অংশ নেয়ার সময় অবশ্য এখনও শেষ হয়ে যায়নি। জোকোভিচ থাকবেন কিনা নিশ্চিত হতে সময় লাগবে।
‘নয়বারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনজয়ী নিশ্চয়ই চাইবেন না আসর মিস করতে। এই সপ্তাহের শেষদিকে বেশকিছু চার্টার্ড ফ্লাইট রয়েছে, যা ব্যবহার করে টেনিস তারকারা যোগ দেবেন আসরটিতে। জোকোভিচেরও সুযোগ রয়েছে। তবে আমরা তার থেকে আরও পরিষ্কার বক্তব্য আশা করছি। নয়ত তিনি অংশ নিতে পারবেন না। খেলার মতো অনেককিছু রয়েছে, আশা করি ভ্যাকসিন নিয়ে চলতি খেলার অবসান ঘটাবে জোকোভিচ।’ আশা ক্রেইগ টাইলের।
অন্যদিকে রাফায়েল নাদাল ও রজার ফেদেরার করোনামুক্ত হয়ে গত সপ্তাহেই মেলবোর্ন থেকে ঘুরে গেছেন। যদিও টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন না দুই কিংবদন্তি।








