জেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলভাবে বিজয়ীদের নাম পাওয়া গেছে। আজ অনুষ্ঠিত ৫৯টি জেলার মধ্যে ৪৮টিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী হয়েছে। ১১টি জেলায় জয়ী হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী। স্থগিত আছে বগুড়ার ফল। সকাল থেকে নিদিষ্ট ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছেন। দেশে প্রথমবারের মত ভোটের মাধ্যমে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হল।
নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সিইসি বলেছেন, জেলা পরিষদ নির্বাচন ইসি’র জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।
আদালতের নির্দেশে নোয়াখালী, গাইবান্ধা, যশোর, বরগুনা ও কুড়িগ্রামসহ বেশ কয়েকটি জেলার কিছু ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিলো।
২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর ৬১ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার। তাদের মেয়াদপূর্তিতে এবারই প্রথম জেলা পরিষদে নির্বাচন হচ্ছে। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন ভোটের মাধ্যমে। জেলায় অন্তর্ভুক্ত সিটি কর্পোরেশন (যদি থাকে), উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভোটে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।
তিন পার্বত্য জেলা বাদ দিয়ে বুধবার ৬১টি জেলায় এই নির্বাচন হয়েছে। তবে এর মধ্যে ২১ জেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এছাড়া কুষ্টিয়ায় একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও আদালত সেই প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছে। এখন চেয়ারম্যান পদে ৩৯জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সাধারণ সদস্য পদে ২ হাজার ৯৮৫ জন ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৮০৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। সাধারণ সদস্য ১৩৯ ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এ হিসাবে স্থানীয় সরকারের ৪টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬৭ হাজার নির্বাচিত প্রতিনিধি এই নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার ইউনিয়ন পরিষদে। দেশের প্রায় ৪ হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদে গড়ে ১৩ জন করে প্রায় ৬০ হাজারের মতো নির্বাচিত প্রতিনিধি রয়েছে। একইভাবে ৪৮৮টি উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত প্রতিনিধি রয়েছে প্রায় দেড় হাজার।
৩২০টি পৌরসভায় নির্বাচিত প্রতিনিধি রয়েছে সাড়ে ৫ হাজার এবং ১১টি সিটি কর্পোরেশনে প্রায় সাড়ে ৫শ’ নির্বাচিত প্রতিনিধি রয়েছেন, যারা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।








