চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বাদ পড়ার পর পিএসজিতে কোচের আসনটা টলে যায় মাউরিসিও পচেত্তিনোর। লা প্যারিসিয়ান ডাগআউটে তার উত্তরসূরি হচ্ছেন জিনেদিন জিদান, এমন খবরও আসতে থাকে। ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি নোয়েল লে গ্রায়েত সেই খবরের পাশে দিলেন জোর হাওয়া।
‘জিদান মাদ্রিদকে দেখিয়েছেন যে, তার এমন গুণাবলী রয়েছে যা কল্পনাতীত। ফরাসিদের ভাবনায় তিনি একজন উত্তরসূরি হতে পারেন। কিন্তু এটা আমার লক্ষ্য নয়। আমরা পর্যবেক্ষণ করব। যদি দিদিয়ের (দেশম) এবং আমি আলাদা পথে যাই, তবে তিনি অবশ্যই বিকল্পগুলোর একজন হবেন।’ বলেছেন লে গ্রায়েত।
গত মাসের শেষদিকে স্ট্রাসবুর্গের বিপক্ষে লিগ ওয়ানের ম্যাচের আগে পিএসজিতে থাকার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন পচেত্তিনো। তার আগে অবশ্য ইউরোপীয় গণমাধ্যমে তাকে বরখাস্ত করা হবে এমন খবর এসেছিল।
পচেত্তিনোর পিএসজি-ভাগ্য নিয়ে তারপর থেকে আলোচনার পারদ ক্রমেই চড়ছে। ঘুরেফিরে আসছে জিদানের নাম। বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তির লিগ ওয়ানে রেকর্ড দশবারের শিরোপাধারীদের কোচ হওয়ার সেই সম্ভাবনার পালে এবার যেন দমকা হাওয়াই দিলেন এফএফএফ সভাপতি।
জিদানকে ফ্রান্স দলের পরিবর্তে পিএসজির দায়িত্ব নিতে দেখলে লে গ্রায়েত অবাক হবেন না বলেই জানিয়েছেন। জিজুকে অবশ্য কাতার বিশ্বকাপের পর দেশমের উত্তরসূরি হিসেবে নিজ দেশের কোচ বানাতে বিবেচনা করা হচ্ছে অনেক আগে থেকেই।
‘আপনি যা বলছেন তা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। জিদান হয়তো পিএসজির সঙ্গে থাকবে। তবে এখন বিশ্বকাপ জয়ের জন্য আমরা দিদিয়েরকে সেরা অবস্থায় রাখার জন্য সবকিছুই করছি।’ বলেছেন লে গ্রায়েত।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের শিরোপাজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন দেশম। সতীর্থ ছিলেন জিদান। ২০ বছর পর কোচ হিসেবেও দেশম বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়েছেন রাশিয়ার মাটিতে।
কাতার বিশ্বকাপে ফ্রান্সের শিরোপা ধরে রাখা নিয়ে প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন লে গ্রায়েত, ‘আমরা শিরোপা ধরে রাখতে চাই। অন্তত শেষ চারে যেতে চাই।’
লক্ষ্য পূরণ হলে দেশমই ফ্রান্সের দায়িত্বে চালিয়ে যাবেন কিনা এমন প্রশ্নে গ্রায়েতের জবাব, ‘আমরা পরে আলোচনা করবো। তিনি আমাদের কোচ, একজন বন্ধুও বটে। তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই আন্তরিক।’








