নববর্ষ বরণ অনুষ্ঠানে একাধিক নারীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগে বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানির কোলন শহর। অভিযোগের আঙুল উঠেছে জার্মানিতে আশ্রয় পাওয়া মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার অভিবাসীদের দিকে।
অভিবাসীদের ধর্মীয় পরিচয়কে পুঁজি করে ছড়ানো হচ্ছে ঘৃণার বার্তা। মুসলিম-বিরোধী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করেছে জার্মান পুলিশ।
মুসলিম বিদ্বেষী বলে কুখ্যাত ‘পেডিগা’ আন্দোলনকারীদের নিয়ন্ত্রণে এই পদক্ষেপ নেয় জার্মান পুলিশ। কোলনে অভিবাসীদের পক্ষেও দাড়াচ্ছে অনেক মানবাধিকার সংগঠন। তবে প্রতিবাদে সোচ্চার নারী অধিকার সংগঠনগুলো।
এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন অভিবাসীদের জন্য জার্মানির দরজা খুলে দেয়া চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল।বাধ্য হয়ে অভিবাসী বিষয়ক আইন সংশোধনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। বলেছেন,‘ যেসব অভিবাসী জার্মানিতে অপরাধ কাজে জড়িত হবে তাদেরকে দেশে ফেরত পাঠাবে সরকার’।
নববর্ষের ঘটনাকে পুঁজি করে শরণার্থীদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
তবে এধরণের উদ্দেশ্যমূলক ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা জার্মান গণমাধ্যমের নজর এড়ায়নি। একাধিক গণমাধ্যমে ওই ঘটনায় আসলেই ‘মদ্যপ’ অভিবাসীরা জড়িত ছিলো কিনা না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ পেয়েছে।






