অস্থির চালের বাজারে স্বস্তি আনতে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চালের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানির ক্ষেত্রে ঋণপত্র স্থাপনে এখন থেকে ব্যাংকগুলো কোনো মার্জিন ধার্য করতে পারবে না। অর্থাৎ জামানত ছাড়াই চাল আমদানি করা যাবে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সুযোগ পাবেন ব্যবসায়ীরা।
সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের মহাব্যাবস্থাপক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।
দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংককে এই নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে হাওর এলাকায় বন্যা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতি বৃষ্টিসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চালের স্বাভাবিক সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। যার ফলে বাজারে অস্থিতিশীলতা দেখা যাচ্ছে। তাই চালের সরবরাহ নিশ্চিত করতে চাল আমদানিতে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এতে আরো বলা হয়, ধান, চাল ব্যবসায়ী ও মিল মালিকদের ঋণ পরিশোধ সময়সীমা পুনঃনির্ধারণ সংক্রান্ত ২০১০ সালের ২৯ ডিসেম্বর একটি সার্কুলার জারি হয়। ওই সার্কুলারে
মিলমালিক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাংক থেকে নেয়া সিসি (ক্যাশ ক্রেডিট বা নগদ টাকা ঋণ) অথবা ওডি (ওভার ড্রাফট বা সীমাতিরিক্ত ঋণ) ঋণ নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে তা পরিশোধ বা সমন্বয় করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। উক্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন করার জন্য পুনরায় নির্দেশনা দেওয়া হলো।








