জঙ্গি ও সন্ত্রাসী বিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের
অংশগ্রহণে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার বিকাল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে সিনেট হলে
মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতে সম্প্রতি সন্ত্রাসী ও জঙ্গি হামলায় নিহতেদের সম্মানে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম। সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘সম্প্রতি উত্থিত জঙ্গিবাদ সংকট মোকাবিলায় দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অতীতেও আমরা এমন বড় বড় সংকট ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করেছি।’
এসময় প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত কিছু পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। পদক্ষেপগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, দশ দিনের বেশি কোন শিক্ষার্থী বিভাগে অনুপস্থিত থাকলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অভিহিত করা, কাউকে সন্দেহভাজন মনে হলে তার সম্পর্কে খোজ খবর রাখা, প্রয়োজনে পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর সহযোগীতা নেয়া। 
তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই-তিন মাসের জন্য কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাত ১০টার মধ্যে হলে ফেরা, ক্যাম্পাসের ভিতরের সমস্ত দোকান রাত ১০টার মধ্যে বন্ধ করা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গাড়ি চলাচলের জন্য স্টিকার ব্যবহার করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমের গেটগুলোতে কোন যানবাহনের পারাপার না করা, গেইটসহ ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো সিসি টিভির আওতায় আনা।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মনজুরুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. তপন কুমার সাহা, প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শাহেদুর রশিদ, অধ্যাপক ড. এ এস এম আবু দায়েন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ‘জাতি সব সময় অশুভ শক্তিকে পরাজিত করেছে। বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক ও উদার নৈতিক দেশ। এদেশে জঙ্গিবাদের ঠাঁই নেই।’
রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিকের পরিচালনায় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রভোস্ট, প্রক্টরিয়াল বডি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা কর্মীরা।








