জাপানের কেন্দ্রীয় ও পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী টাইফুন জংদারির আঘাতে কমপক্ষে ২১ জন আহত হয়েছেন। এতে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রায় দেড় লাখ ঘরবাড়ি।
স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১টায় দেশটির প্রধান দ্বীপ হনশুতে প্রবল বৃষ্টিপাতের সাথে ঘন্টায় ১৮০ কিলোমিটার বেগের হাওয়া নিয়ে আঘাত হানে জংদারি। এতে করে, নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। জাপান আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তারা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসের সর্তকতা দিয়েছিলেন।
জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে’র বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, টাইফুনের আঘাতের পর হনশু ও আশপাশের এলাকায় বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। তীব্র বাতাসে বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ঘরবাড়ির।

এর আগে শনিবার দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের শহর সোবারা থেকে প্রায় সাড়ে ৩৬ হাজার মানুষকে এবং কুরে শহর থেকে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। বাতিল করা হয় কয়েকশ’ ফ্লাইট।
হিরোশিমা প্রদেশের গর্ভনর হিদেহিকো ইউজাকি বলেছেন, আমরা ভয়ে আছি তীব্র বাতাস ও বন্যার কারণে উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। তিনি বলেন, আগেভাগেই সবার নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়া ভালো। এর ফলে তারা জীবন বাঁচাতে পারবেন।
গত সপ্তাহে জাপানে তীব্র তাপদাহ ও রেকর্ড বর্ষণে বন্যায় দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানির পর শনিবার আঘাত হানা সামুদ্রিক ঝড়কে এশিয়ায় আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।








