বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত চিনির কোন সমস্যা নেই, সামনে আরো চিনি আসবে। গ্যাসের সাপ্লাইয়ের কারণে চিনি উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। গমের সংকট রয়েছে তবে সেটাও কানাডা থেকে এনে সাপ্লাই দিবেন ব্যবসায়ীরা। খাদ্য সংকট হবে না। চলমান পরিস্থিতিতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।
সচিবালয়ে দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের সভা শেষে তিনি জানিয়েছেন, এখন ৫ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন হচ্ছে কিন্তু প্রয়োজন ৭ হাজার মেট্রিক টন। আমাদের চিনি গুদামে পড়ে আছে, যেটা প্রসেস করে আসতে হবে। সেখানে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যার কারণে বাধাটা এসেছে। সেটাকে যদি আমরা অ্যাড্রেস করতে পারি তাহলে সরবরাহের সমস্যাটা থাকবে না, নির্ধারিত দামে আমরা দিতে পারবো।
বিদ্যুতের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে গত ১৫ দিনে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তাপমাত্রা কমছে, যার ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার কিছুটা কমছে। গ্যাস তো আর বাণিজ্যমন্ত্রী নিয়ন্ত্রণ করে না! যে মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করে তারা বলছে, পরিস্থিতির উন্নতি হবে। সেটাকে ধরে নিয়েই আমরা বলছি।








