ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য অর্থ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন আইনী কাঠামোতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অভিযোজন এবং জলবায়ু ঝুঁকি কমানোর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করারও দাবি জানিয়েছেন।
প্যারিসে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন শেষ হবে আগামী শুক্রবার। দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে যে হাইলেভেল সেগমেন্ট শুরু হয়েছে তাতে বিভিন্ন দেশের বন ও পরিবেশ মন্ত্রীরা জলবায়ু ইস্যুতে তাদের দেশের অবস্থান তুলে ধরছেন। সেই সাথে তুলে ধরছেন প্রত্যাশার কথা। বাংলাদেশের বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু তার দেশ বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেছেন, জলবায়ু ইস্যুতে কার্বন নিঃসরণ কমানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ একই সাথে গুরুত্বপূর্ণ খাপ খাইয়ে নেওয়ার বিষয়টিও। তার জন্য তিনি অর্থায়নের সমান অংশ দাবি করেছেন।
পরিবেশমন্ত্রী আরো বলেন, যেখানে অর্থায়নের কথা ছিলো সেখানে মিটিগেশনের বেশী পয়সা ছিলো। এডাপটেশনের পয়সা কম ছিলো। সেখানে আমরা বলেছি, এডাপটেশনেও মিটিগেশনের সমান পয়সা দিতে হবে।
বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে বিগত কয়েক বছর ধরে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টি আলোচিত হয়ে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্হ দেশগুলোকে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে সহায়তা করা হবে।
প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, উন্নত দেশগুলোর গ্রীন টেকনোলজি নিয়ে ব্যবসার একটা কথা তাদের মাথায় ঘুরছে। সে ব্যবসার বিষয়টিই চলে আসছে। এখানে অনুদান নয়: এই টেকনোলজি দেওয়া হবে সেই টেকনোলজি আমরা নিবো সেটা অনুদান হিসেবে নয়।
তিনি আরো বলেন, সেই টাকাটা লোন আকারে বা অন্য কোনভাবে যেটাকে রিপেমেন্ট করতে হবে। সুতারাং গ্রীন টেকনোলজির বিষয়টি আমরা যা চাচ্ছি বাংলাদেশ বা স্বল্প উন্নত দেশগুলো হিসেবে যেহেতু আমরা ক্ষতিগ্রস্থ তাই আমাদের স্বল্প মূল্যে দেওয়া হোক। এর ফলে যেন আমার আমাদের ক্ষতিটাকে পুশিয়ে নিতে পারি।
বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে নতুন করে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে তা হলো, কিভাবে আইনী কাঠামোটি চূড়ান্ত হবে এবং তাতে কি কি বিষয় অন্তর্ভূক্ত থাকবে।







