দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, জঙ্গি অর্থায়নে কারো সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরও বলেছেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারলে পদ থেকে সরে যাবেন তিনি। দুর্নীতি প্রতিরোধে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন শিক্ষাবিদরা।
কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা ২০১৬-২০২১ খসড়া নিয়ে শিক্ষবিদদের সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের মতবিনিময় সভা।
আলোচনায় দুদকের স্বাধীনতার কথা উঠে আসে। জঙ্গিবাদে দুর্নীতিবাজদের অর্থায়নের প্রসঙ্গেও কথা বলেন সংস্থার চেয়ারম্যান।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, জঙ্গিবাদে অর্থ দেওয়া মানে পানিতে ফেলা। জঙ্গিবাদের পরিণতি কি হতে পারে তা কল্যাণপুরের উদাহরণ থেকে বোঝা যায়।
শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন: জঙ্গিবাদ, সামাজিক ও আর্থিক সন্ত্রাস থেকে বাঁচাতে পারেন শিক্ষকরা। আমরা চাই আমাদের বাচ্চারা যেন স্কুলে ও কলেজে লেখাপড়া করে সেই সংস্কৃতি তৈরি করতে। বাচ্চাদের লেখাপড়া করতে বাধ্য করতে শিক্ষার্থীদের অন্তত ৬ষ্ঠ থেকে ১০ শ্রেণিতে কোনো এক বিষয়ে ফেল করা পাস করিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে বেশ কিছু পরামর্শ তুলে ধরেন বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ বরেণ্য শিক্ষাবিদরা। স্কুলের পাঠক্রমে দুর্নীতির বিষয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।








