ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিদের গডফাদার হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানের ফাঁসি কার্যকরের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি তৎপরতা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের বিশেষ আন্তরিকতার অভাব না থাকলেও জঙ্গিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ১৭ মার্চ রাজধানীতে র্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্প ও প্রস্তাবিত প্রধান কার্যালয়ের ভেতরে আত্মঘাতী বোমা হামলার পর থেকে নানা ঘটনার পরে আজ বুধবার (২৯ মার্চ) মৌলভীবাজারে জঙ্গি আস্তানায় সোয়াটের অভিযানের খবর দেশবাসীর মধ্যে উৎকন্ঠা তৈরি করেছে। বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সারাদেশের থানা, কারাগার, বিমান বন্দরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ অবস্থাকে দেশের জন্য উদ্বেগজনক বলে আমরা মনে করি। গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরায় জঙ্গিগোষ্ঠীর নারকীয় হামলার পর থেকেই সারাবিশ্বের কাছে জঙ্গিবাদের বিশেষ নজরদারিতে বাংলাদেশ, যদিও সেসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন প্রশংসনীয় পদক্ষেপ লক্ষ্যণীয়। ধর্মের দোহাইয়ে হোক আর অপব্যাখ্যার কারণে হোক, জঙ্গিবাদের এই ক্রমবর্ধমান শাখা-প্রশাখা নির্মূল করা বিশেষ জরুরি। জঙ্গিদের সঙ্গে অন্যকোনো দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র জড়িয়ে আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা দরকার। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিসহ জঙ্গিদমনে কৌশলগত নানা কঠোর পদক্ষেপ নিলে এইসব জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস আর নিরীহ মানুষ হত্যা বন্ধ হবে বলে আমরা মনে করি।








