ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নতুন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২০২৫ ও ২০২৯ সালে আট দল নিয়ে হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজন। যার প্রথম আসরটির একক আয়োজক হতে বিড করেছে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানান, আয়োজনের সব দায়িত্ব নেবে বাংলাদেশ সরকার। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সবুজ সংকেত পেয়েছে বিসিবি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হচ্ছে আইসিসিতে।
‘আমরা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য এককভাবে আবেদন করেছি। কারণ এই ইভেন্ট করার জন্য যে কয়টা স্টেডিয়াম দরকার, সেটা আমাদের আছে। আর টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য আমরা শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যুগ্মভাবে আবেদন করেছি। ওই বিশ্বকাপের জন্য যে পরিমাণ স্টেডিয়াম দরকার সেটা আমাদের নেই, দুটো দেশ মিলে করা যায়। আর ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য আমরা তিনটা দেশ- বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান মিলে আবেদন করেছি।’
‘এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি বা গ্যারান্টির দরকার ছিল। আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, এই সংক্রান্ত অনুমতি নেয়ার যে পত্র দরকার হয় সেটার প্রথম পত্রটাই পেয়েছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে, ওনার নিজের সই করা যে, এখানে যদি কোনো টুর্নামেন্ট হয় তো সমস্ত দায়িত্ব নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এখানে অনেক দেশের কিন্তু এ ব্যাপারে সমস্যা হচ্ছে।’
ভারত ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। পরে ২০১৪ সালে এককভাবে বাংলাদেশ আয়োজন করে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মিনি বিশ্বকাপ বা নকআউট বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল বিসিবি। সেই আসরের পরিবর্তিত রূপ হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।








