বাংলাদেশের পুলিশ খুঁজছে লন্ডনে অবস্থান করা এমন ব্যক্তির সংখ্যা এখন তিন। চৌধুরী মঈনউদ্দিন এবং তারেক রহমানের সঙ্গে ওই তালিকায় যোগ হয়েছে সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার এম এ কাইয়ুমের নাম।
প্রবাসীরা জানিয়েছেন, ঢাকায় ইতালির নাগরিক টাভেলা সিজার হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা সম্ভাব্য ‘বড়ভাই’দের একজন হিসেবে বিএনপি নেতা ও সাবেক কমিশনার এম এ কাইয়ুম লন্ডনে অবস্থানের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানেও যোগ দিচ্ছেন।
সিলেটটুডে.২৪.কম তার একটি ছবি প্রকাশ করে জানিয়েছে, বিএনপির ঢাকা মহানগরের যুগ্ম আহবায়ক কাইয়ুম একজন সঙ্গিসহ বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ৯টায় পূর্ব লন্ডনে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এগারো দিন ধরে এম এ কাইয়ুম লন্ডনে অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। ওই সূত্রগুলো বলছে, মালয়েশিয়া হয়ে লন্ডনে চলে গেছেন কাইয়ুম।
তবে বুধবার প্রথম প্রকাশ্যে আসার আগে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার লন্ডনে অবস্থানের না জানালেও কয়েকটি গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, টাভেলা সিজার হত্যাকাণ্ডে তাকে জড়িয়ে যে কথা বলা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রমূলক।
তিনি অভিযোগ করেছেন, তার ছোট ভাইকে পুলিশ ধরে নিয়ে নির্যাতন করছে। তার পরিবারও চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে। তার ভবিষ্যত কী এবং কোথায় থাকবেন তা নিয়েও চরম উৎকন্ঠায় সময় পার করছেন তিনি।
টাভেলা সিজার হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন চারজনকে গ্রেফতারের পর তারা এক বড়ভাই’র নির্দেশে ওই খুন করে বলে পুলিশ জানানোর পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানান, সম্ভাব্য ‘বড়ভাই’দের একজন এম এ কাইয়ুম। তাকে গ্রেফতার করা হলে সবকিছু পরিস্কার হবে বলে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তবে পুলিশ তাকে আটক করার আগেই তিনি লন্ডনে পাড়ি জমান।
লন্ডনে অবস্থান করা কাইয়ুম তৃতীয় ব্যক্তি যাকে বাংলাদেশের পুলিশ খুঁজছে। তার বিরুদ্ধে এখনো ইন্টারপোলের মাধ্যমে কোনো রেড নোটিশ জারি করা না হলেও অন্য দু’জনের নামে রেড নোটিশ জারি আছে।
তারা হলেন: মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া চৌধুরী মঈনউদ্দিন এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় অভিযুক্ত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।







