বড় ইভেন্ট এলেই বাংলাদেশ দলে দেখা যায় চোটের মিছিল। গত ওয়ানডে বিশ্বকাপেই যেমন সাকিব আল হাসান খেলতে পারেননি দুটি ম্যাচে। ২০১৯ বিশ্বকাপে মুশফিকুর রহিম, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, সাইফউদ্দিনের চোট ভুগিয়েছে দলকে। তামিম ইকবাল তো চোটের কারণে ক্যারিয়ারই একরকম গুটিয়ে নিয়েছেন। সম্প্রতি পেসারদের চোট বিপদে ফেলছে দলকে। চোট থেকে রেহাই পাননি মোস্তাফিজুর রহমানও।
পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে ছন্দে থাকা শরিফুল ইসলাম চোটে পড়েছেন ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে। হাতে লেগেছে ৬ সেলাই। মাঠে ফিরতে কতদিন লাগবে জানা যাবে আরও দুদিন পর। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ৮ জুন, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। তাতে নামা নাও হতে পারে বাঁহাতি পেসারের।
চোট নিয়েই বিশকাপ দলে যোগ দিয়েছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। নামতে পারেননি শনিবারের প্রস্তুতি ম্যাচে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তাকে পাওয়া নিয়ে বড় শঙ্কায় রয়েছে দল। এরমধ্যে শরিফুল পড়লেন চোটে।
শনিবার নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি মাঠে আইসিসির অফিসিয়াল ওয়ার্মআপ ম্যাচে বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স বেশ বিবর্ণ ছিল। ভারতের ১৮২ রানের জবাবে ওয়ানডে স্টাইলে খেলে ৯ উইকেট হারিয়ে স্রেফ ১২০ রান করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সে ৬২ রানে হারের চেয়েও বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শরিফুলের চোট।
দলের সঙ্গে থাকা টাইগারদের প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘শরীফুলের শেষ ওভারে একটি বল ঠেকাতে গিয়ে বাঁ-হাতের তর্জনী ও মধ্যমার মাঝে যে জায়গা, সেখানে একটা স্প্লিট ইনজুরি হয়েছে।’
‘মাঠে প্রাথমিক পরিচর্যার পর তাকে ম্যাচ শেষে নাসাউ ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হ্যান্ড সার্জনের তত্ত্বাবধানে ক্ষতস্থানে ছয়টা সেলাই পড়েছে। আমরা দুই দিন পর আবার হ্যান্ড সার্জনের কাছে যাব। তখন আমরা আসলে বুঝতে পারব যে ওর ফিরতে কত সময় লাগবে।’
দলের সঙ্গে বাড়তি পেসার হিসেবে সফর করছেন হাসান মাহমুদ। আর ব্যাটারদের মধ্যে রয়েছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব।








