খাদ্য কর্মকর্তা ও মিল মালিকদের অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে চাল মজুদ করে চালের কৃত্রিম সংকট তৈরি করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কমিশন সচিব জানান, প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা আছে মনে করায় দুদক তদন্ত শুরু করেছে।
হাওর ও উত্তরাঞ্চলে বন্যার কারণে দেশে চালের উৎপাদন এবার কম হয়েছিলো। এই অজুহাতে চালের দাম চলে যায় ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। সরকার চাল আমদানি করে দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও তার সুফল এখনো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি।
তবে গণমাধ্যমে বারবার চাল মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি ও দাম বাড়ানোর সংবাদও এসেছে। এমন সময়ে চাল মজুদ নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্যভিত্তিক অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক।
দুদক বলছে, আইন অনুযায়ী খাদ্য কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ছিল মিল মালিকরা বেআইনীভাবে যাতে মজুদ করতে না পারে, নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সেই ব্যবস্থা নেয়া।
দুদক সচিব জানান, অচিরেই এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন পাবে দুদক। তারপর মামলাসহ অভিযুক্ত কর্মকর্তাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।








