রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলায় বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান, আমিনুল হক, তাবিথ আওয়াল, রফিকুল আলম মজনুসহ ৭০ নেতাকর্মীকে ২৬ সেপ্টম্বর পর্যন্ত আগাম জামিন দিয়েছন হইকোর্ট।
আসামিদের করা আগাম জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেয়। আদালত জামিনপ্রাপ্তদের আগামি ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পন করতে বলেছেন। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল, রুকুনুজ্জামান সুজা, কামরুল ইসলাম সুজন, জিয়াউর রহমান ও আবিদুল হক। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেজাউল করিম।
ঢাকা মহানগর বিএনপির নবগঠিত দুই কমিটির নেতৃবৃন্দ কর্মীদের নিয়ে গত ১৭ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য চন্দ্রিমা উদ্যানে জড়ো হন। সেসময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পুলিশের লাঠিপেটা, কাঁদুনে গ্যাস ও রাবার বুলেটে ঢাকা মহানগর বিএনপির উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান ও সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে বেশকিছু যানবাহন ভাঙচুরও করে।
এ ঘটনায় মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ দুইটি এবং শেরেবাংলা নগর থানায় পুলিশ একটি মামলা করে। পুলিশের করা মামলায় ১৫৩ জনকে আসামি করা হয়। যাদের মধ্যে ৪৭ জনকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্যরা হাইকোর্টে আগাম জামিন আবেদন করেন। সেসব আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট আজ ৭০ জনকে আগাম জামিন দেন। বাকিদের শুনানি আগামি মঙ্গলবার বলে জানিয়েছেন জামিন আবেদনের পক্ষের আইনজীবীরা।








