দেশে সম্ভাবনাময় ও অর্থকরি ফসল আগর চাষ দিনে দিনে সম্প্রসারিত হচ্ছে চট্টগ্রামে। এ শিল্প টিকিয়ে রাখতে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন ।
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে আগর চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেটের বড়লেখায় আগর চাষ সমৃদ্ধ হলেও সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ের টিলাগুলোতে সরকারি বেসরকারিভাবে ব্যাপক হারে আগর চাষ হচ্ছে।
আগর চাষে ভালো মাটি এবং বৃষ্টিপাতের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রধান বন সংরক্ষক ইউনূস আলী বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজার এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে আগর চাষের সম্ভাবনা সব থেকে বেশি।
বাংলাদেশ বন গবেষণা পরিচালক ড. শাহীন আক্তার বলেন, তেল আহরণের পদ্ধতিটা সনাতন প্রক্রিয়ায় করা হয়। এ প্রক্রিয়াটি উন্নত করার জন্য আমরা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি।
পশ্চিমা বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আগরের তেল ও আঁতরের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউট আগর গাছে ঔষধ প্রয়োগ করে আগর উৎপাদনে সফল হয়েছে বলে জানিয়েছেন আগর গবেষকরা।
আগর গবেষক ড. এসএম জাকির হোসেন বলেন, আমাদের প্রথম এক্সপেরিমেন্ট হিসেবে আমরা কেমিক্যাল প্রয়োগ করি। এর ফলে আমরা আশাবাদী যে ভালো আগর উৎপাদন হবে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ্উদ্দীন বলেন, বর্তমান সরকার আগরের বিস্তার বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই আগর চাষের জন্য চট্টগ্রাম অত্যন্ত উপযোগী।
তারপরও আগর আহরণের সঠিক পদ্ধতি এখনো উদ্ভাবন করতে না পারায় আগর বাগান মালিকরা প্রকৃত সুফল পাচ্ছেন না।







