হাসপাতালগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খুলনায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ও করোনা উপসর্গ নিয়ে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় তিনটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের এবং উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালিত ১৩০ শয্যা বিশিষ্ট ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে ১০ জন, জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২ জন ও বেসরকারি গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন এবং আবু নাসের হাসপাতালে ১ জন ও কয়রায় ১ জনের মৃত্যু হয়।
খুলনা মেডিকেল কলেজের (খুমেক) আরটি পিসিআর ল্যাব বন্ধ থাকায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) পিসিআর ল্যাব থেকে পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৩ স্যাম্পল পরীক্ষা করা হয়েছে যার মধ্যে ৪৪টি কোভিড পজিটিভ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৫৫ টি যার মধ্যে আক্রান্ত ২৩৯ জন। আক্রান্তের হার ৩৬ শতাংশ।
খুলনায় করোনা রোগীদের চাপ ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় দশটি আইসিইউ বেডসহ মোট ৪৫টি বেডের সুবিধা নিয়ে শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে চালু হয়েছে করোনা ইউনিট। বিভাগীয় প্রশাসন বলছে, প্রয়োজনে অন্যান্য হাসপাতালও অন্তর্ভূক্ত করা হবে।
করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১৩০ শয্যার মধ্যে ৭৭টি শয্যায় কেন্দ্রীয় অক্সিজেনের ব্যবস্থা আছে। বাকিগুলোয় সিলিন্ডারে কাজ চলে। আপাতত ওই সংকট নেই। আরও একটা অক্সিজেন প্ল্যান্ট চালুর অপেক্ষায় আছে। চালু হলে অক্সিজেনের কোনো রকম সংকট হবে না।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ৭০ শয্যার করোনা ইউনিটে আইসিইউ এইচডিইউ কোনোটাই নেই। তবে সব শয্যায় সেন্ট্রাল অক্সিজেন আছে। এখন পর্যন্ত সংকট নেই। চাহিদার কথা আগেই জানিয়ে রাখা হয়েছে।
হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৮৫ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৬ জন। নতুন ১১১ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে।







