এভাবেও হারা যায়, দেখিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ! আড়াই দিনের বেশি বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া টেস্টে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় আদায় করে নিয়েছে অদম্য ভারত। টেস্টের তৃতীয় দিন শেষেও কানপুরে ফলের পক্ষের লোকসংখ্যা কমই পাওয়া যেত। কিন্তু অসম্ভবকে সম্ভব করে রোহিত শর্মার দল দেখায় বলে-ব্যাটে শক্তির দাপট। বাংলাদশের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে অবাক এমন হারে।
কেউই মেনে নিতে পারছেন না এমন হার। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৫২ ওভারে ৩৮৩ রান করেছে ভারত। ওভারপ্রতি রান তোলার হার ৭.৩৬। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে দুই ইনিংস মিলিয়ে ওভারপ্রতি কোনো দলের রান তোলার সর্বোচ্চ হার এটি।
ভারত তাণ্ডব দেখালেও বাংলাদেশের ব্যাটাররা ছিলেন কোণঠাসা। মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি ছাড়া প্রাপ্তির খাতা শূন্য।
সংবাদ সম্মেলনে হারের ব্যাখ্যায় ব্যাটিং ব্যর্থতাই টেনেন হাথুরুসিংহে, ‘এই সিরিজে ব্যাটিং খুব হতাশাজনক। সর্বশেষ সিরিজে কয়েকজন ভালো খেলেছিল। তবে আমরা গত কয়েক সিরিজ ধরেই সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যাট করতে পারছি না। এমন ব্যাটিংয়ের আরেক কারণ হতে পারে প্রতিপক্ষের বোলিং কোয়ালিটি। ভারত খুবই ভালো দল। আমরা শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাব। সেরা দলের বিপক্ষে খেলাগুলো এমনই হয়।’
টানা দুদিন বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পরও টেস্টে ফল হতে পারে সেটি ছিল অনেকের ভাবনার সীমানার বাইরে। তার আগে চেন্নাই টেস্টেও সুবিধা করতে পারেনি শান্তবাহিনী। এই সিরিজটা বাংলাদেশকে বাস্তবতা বুঝিয়েছে, মনে করেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার-ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জেকার।
ইএসপিএন-ক্রিকইনফোতে তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় বাংলাদেশ বাস্তবতা বুঝেছে। তারা টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের সেরা সময়ে থাকতেই এখানে এসেছিল। কিছু ভালো দলের বিপক্ষে ঘরের মাঠে তারা জিতেছে, পাকিস্তানকে তাদের দেশের মাটিতে হারানো তো অনেক বড় অর্জন।’








