চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

কলঙ্কের দায় বিএনপির ক’জন নেতাকর্মী নিতে চায়

কবির য়াহমদকবির য়াহমদ
৬:০২ অপরাহ্ন ১১, অক্টোবর ২০১৮
মতামত
A A
বিএনপি

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মামলার রায়ে বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর নেতাসহ একাধিক সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তার সাজা হয়েছে। বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১৪ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে বুধবার এই মামলার রায় দেন আদালত। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট থেকে ১০ অক্টোবর ২০১৮, সময়ের হিসাবে এটা ১৪ বছর ৪৮ দিনের অপেক্ষা। শেষ পর্যন্ত বিচারিক আদালতে এই মামলার রায়ে বাংলাদেশ কলঙ্কমুক্তির একটা ধাপ অতিক্রম করল। বিচারিক আদালতের বিচার শেষে এই মামলার আরও বেশ কিছু ধাপ রয়েছে। মামলার রায় কার্যকরে হাই কোর্ট, আপিল, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমাসহ বাকি যে ধাপগুলো রয়েছে সেগুলো দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করে আশা করি বাংলাদেশ এই বিচারের শেষটা দেখবে।

নারকীয় ওই গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নিহত এবং কয়েকশ’ লোক আহত হন। আহতদের অনেকেই এখনও সুস্থ হয়ে ওঠেননি, অনেকেই আবার সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছেন। মামলার এই রায়ে নিহতদের পরিবার এই ভেবে সান্ত্বনা পেতে পারেন অন্তত বিচারটা হয়েছে। যে গেছে সে ফিরে আসবে না ঠিক, কিন্তু এমন বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলে আগামীর অন্য অপরাধীরাও সতর্ক হবে, অপরাধের পথও বন্ধ হবে। যারা আহত হয়েছেন বিচারের এই রায়ে তাদের চোখে কোণে অশ্রুবিন্দু এনেছে নিশ্চিত, স্বস্তির। তারাও যা হারিয়েছেন তা ফিরে না পেলেও বিচারের এই নজির এবং অপরাধীরা শাস্তি পেলে তাদের মাঝে কিছুটা হলেও সান্ত্বনার প্রলেপ যোগাবে।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে নজিরবিহীন নারকীয় এক সন্ত্রাসের ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসের কলঙ্কজনক এক ঘটনা। প্রকাশ্য দিবালোকে একটা রাজনৈতিক দলের সমাবেশে যুদ্ধে ব্যবহৃত হয় এমন গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালিয়ে নারকীয় যে তাণ্ডব চালানো হয়েছিল সেই ঘটনার বিচার বাংলাদেশের দায় ছিল। বাংলাদেশ দায়মুক্তির প্রাথমিক পর্যায় অতিক্রম করেছে; চূড়ান্ত বিচার শেষে অপরাধীদের শাস্তিপ্রদানের মাধ্যমে এ দায় মুক্তির চূড়ান্ত ধাপ অতিক্রম করতে পারে। বাংলাদেশও হতে পারে কলঙ্কমুক্ত।

এই হামলায় দল হিসেবে সরাসরি আওয়ামী লীগ আক্রান্ত হয়েছিল ঠিক, কিন্তু আদতে এর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসকেই কলঙ্কিত করা হয়েছিল। স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কিংবা রাজনৈতিক বিরোধ থাকার কারণে কোনো দলের শীর্ষ নেতাসহ কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নেতাদের হত্যা করতে সমাবেশে হামলার মতো এমন ঘটনা রাজনীতির এক কালো অধ্যায়। বিচারিক পর্যায়ের প্রথম ধাপে আদালত এই কালো অধ্যায়ের সমাপ্তির লক্ষে রায় দিয়েছেন।

আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলছেন, ‘রাজনীতিতে অবশ্যম্ভাবীভাবে ক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধীদলের মধ্যে মতবিরোধ থাকবে। তাই বলে বিরোধী দলকে নেতৃত্বশূন্য করার প্রয়াস চালানো হবে? এটা কাম্য নয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ক্ষমতায় যে দলই থাকবেন, বিরোধী দলের প্রতি তাদের উদার নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থাকতে হবে। বিরোধীদলীয় নেতৃত্ববৃন্দকে হত্যা করে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক ফায়দা অর্জন করা মোটেই গণতান্ত্রিক চিন্তার বহিঃপ্রকাশ নয়। দেশের সাধারণ জনগণ এই রাজনীতি চায় না। সাধারণ জনগণ চায় যেকোনো রাজনীতি দলের সভা, সমাবেশে যোগ দিয়ে সেই দলের নীতি, আদর্শ ও পরিকল্পনা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান ধারণ করা। আর সেই সভা সমাবেশে আর্জেস গ্রেনেড বিস্ফোরণ করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণকে হত্যার এই ধারা চালু থাকলে পরবর্তীতে সাধারণ জনগণ রাজনীতি বিমুখ হয়ে পড়বে।’’

সিলেটের শাহজালাল (র) এর মাজার শরীফ ঘটনার, সাবেক অর্থমন্ত্রী এস এম কিবরিয়ার ওপর নৃশংস হামলার, রমনা বটমূলের সংগঠিত বোমা হামলার এবং তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর নৃশংস বর্বরোচিত এইসব হামলার পুনরাবৃত্তি চায় না আদালত, এমনও মন্তব্য করেছেন। আদালতের এই মন্তব্য যেকোনো সুস্থ চিন্তার মানুষের মনের কথা। এই হামলার ঘটনায় তৎকালীন বিএনপি-জামায়াতে ইসলামির চারদলীয় জোট সরকারের শীর্ষ নেতারাসহ জঙ্গি সংগঠনের যারাই জড়িত ছিলেন এবং শাস্তিপ্রাপ্ত হয়েছেন এদের বাইরে ওই দলগুলোর মধ্যে সুস্থ ও স্বাভাবিক চিন্তার কোনো মানুষ থেকে থাকলে তারাও এই বিষয়ে অন্তত আদালতের বক্তব্য সমর্থন করবেন।

Reneta

মামলার রায়ে বিএনপির শীর্ষ নেতা ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হারিছ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ একাধিক ব্যক্তি যাবজ্জীবন দণ্ডসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। তাদের এই দণ্ড দল ও তৎকালীন সরকারের ওপর সরাসরি দায় দেয়, কারণ তৎকালীন সরকার ও দল হিসেবে বিএনপি এই হামলায় সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল। তখন কিংবা এখন বিএনপি যতই রাজনৈতিক মঞ্চে এই হামলার দায় এড়াতে কথার মারপ্যাঁচ সমেত বক্তৃতা-বিবৃতি দিক না কেন এটা এখন প্রমাণিত সত্য। তাদের এই দায় এড়ানো মূলক বক্তৃতা-বিবৃতিগুলো তাই অসত্য কথন আর রাজনৈতিক দীনতার প্রকাশ ছাড়া আর কিছু নয়।

২১ আগস্টের এই ঘটনায় তারেক রহমান যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর আগেও একাধিক মামলায় তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত। মানি লন্ডারিং মামলায় সাত বছর ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দশ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান পলাতক অবস্থায় বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। এবার যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান যে মামলায় দণ্ড পেলেন সেটা প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেত্রীকে হত্যার নজিরবিহীন ঘটনার কারণে। একজন রাজনীতিবিদ হয়ে অন্য এক রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেত্রী হত্যার উদ্দেশ্যে যে ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তারেক রহমান সেটা বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কের কালিমা লেপন করেছে।

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান হিসেবে তার এই অপরাধের দায় দল হিসেবে বিএনপির ওপরও বর্তায়। বিএনপি কোনোভাবেই এই দায় এড়াতে পারে না। তবে দলটির সামনে সুযোগ আছে অপরাধের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনার, এবং শীর্ষ নেতা হলেও খুনের দায়ে অপরাধী তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, আব্দুস সালাম পিন্টু সহ দণ্ডপ্রাপ্তদের দল থেকে বের করে দিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। দল থেকে বের করে দেওয়ার বিষয়টি ঢাকার নেতাদের পক্ষে সম্ভব না হলেও অন্তত দূরত্বটা বজায় রাখা। এই কাজটা কঠিন, তবু বাংলাদেশে রাজনীতি করার জন্য এবং ব্যক্তির দায় থেকে দলকে মুক্ত করতে এছাড়া আর কোন উপায় নাই তাদের।

মামলার রায়ে তারেক রহমানসহ শীর্ষ নেতাদের দণ্ড ঘোষণার পর বিএনপি প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় এই রায় প্রত্যাখ্যান করেছে। এই রায়কে ‘ফরমায়েশি’ বলেও দাবি তাদের। এনিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তারা তাৎক্ষণিক মিছিলও করেছে। বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচিসহ সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি তাদের। দলটির এমন প্রতিক্রিয়া ও কর্মসূচি ব্যক্তির অপরাধ এবং তৎসম্পর্কিত দায়কে দলের ওপর টেনে নেওয়ার শামিল। বিএনপি সেটাই করছে।

বিএনপিবিএনপির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী বর্তমানে তারেক রহমান। একাধিক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে বাংলাদেশের আদালত ঘোষিত পলাতক অবস্থায় তিনি। তবু তার কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা তার দলের ওপর কমেনি। দেশে ফিরলেই কারাগার ছাড়া আর কোন গতি নাই তার। দলটির শীর্ষ নেতা হিসেবে বিএনপি কোনোদিন ক্ষমতায় আসলে ক্ষমতার শীর্ষে যাওয়ার দাবিদার তারেক রহমানই। এক্ষেত্রে দেশের আইন ও আদালতের প্রতি সম্মান থাকলে দেশে ফিরে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করে আইনের মাধ্যমে বিচারের পরবর্তী ধাপগুলো মোকাবেলা করা উচিত। এটা করলে বিএনপির দাবি মোতাবেক এই হামলার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা না থাকার বিষয়টি প্রমাণের সুযোগ থাকত; তবে সেটা করবে বলে মনে হচ্ছে না আপাতত, অন্তত বিএনপির প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় সেই বিষয়টি পরিস্কার।

রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও কর্মসূচি তাদের অপরাধকে হালকা করবে না। এর মাধ্যমে তাদের নেতারা যে অপরাধী সেটা দলীয়ভাবেও স্বীকার করা হবে। তাই এই রায়কে রাজনৈতিকভাবে নিলে তাদেরই ক্ষতি, এবং সেই ক্ষতি তাদের রাজনৈতিক।

তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, হারিছ চৌধুরী, আব্দুস সালাম পিন্টুসহ বিএনপির যেসকল নেতা দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন তাদের সেই অপরাধ দল হিসেবে বিএনপিকেও কলঙ্কিত করেছে। বিএনপির এই কলঙ্কমুক্তির একটাই পথ ক্ষমা প্রার্থনা শেষে দলীয় কোন কর্মসূচি না থাকা। তারা ইতোমধ্যেই কিছু কর্মসূচি দিয়েছে, এসব কর্মসূচিতে শুভবুদ্ধিসম্পন্ন বিএনপির নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ না করাই উচিত। দেশের ইতিহাসের জঘন্যতম এই হামলার মামলার রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির যারাই রাস্তায় দাঁড়াবে তারাও নিশ্চিতভাবেই এর দায় নিজের ওপর নেবে। তারেক রহমানসহ শীর্ষ নেতাদের এই কলঙ্কের দায় সারাদেশের বিএনপির ক’জন নেতাকর্মী নিজের ওপর নিতে চায়- সেটাই দেখার!

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: ২১ আগস্টতারেক রহমানবিএনপি
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

জরিমানা হবে না বাংলাদেশের, মিলবে আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬

পদত্যাগ করলেন বার্সা সভাপতি লাপোর্তা

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬

রেকর্ড দামে বিক্রি হল পিএসএলের দল

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬

নতুন সাংসদের অপেক্ষায় ন্যাম ভবন, চলছে শেষ মুহূর্তের সংস্কার

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬

পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপে খেলতে অনুরোধ বিসিবি সভাপতির 

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT