কক্সবাজারে পাহাড় ধস ও ফাটলে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ

কক্সবাজার শহরের লিংক রোডস্থ মুহুরীপাড়ায় ভয়াবহ পাহাড় ধস হয়েছে। এসময় আরো ৫ একর পাহাড়ি ভূমিতে ভয়াবহ ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে সাতটি বসতবাড়িসহ দুই দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়-ক্ষতির কবলে পড়েছে আরো ১৫টি পরিবার।
শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে এ পাহাড় ধস ও ফাটল সৃষ্টি হয়। প্রায় ৫ একর বনভূমি জুড়ে পাহাড় ধস পড়লে সকাল থেকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ ভূমি ধসে আটকে পড়া বসতিগুলো থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেয়ার কাজ করেছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, কক্সবাজারের শহরের লিংক রোডস্থ মুহুরীপাড়ার বিসিক শিল্প এলাকার দক্ষিণ পার্শ্বে প্রায় দেড়শত ফুট উঁচু একটি পাহাড় আকস্মিক ধ্বসে পড়ে।
কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান জানান, পাহাড় ধসের কারণে দুইটি দোকান ও ৫টি বসতবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে স্থানীয়দের মাঝে আতংক বিরাজ করছে।
কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হাবিবুল হাসান জানান, বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আজ সকালে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি গুলো সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস বাহিনী কাজ করছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ এ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে।
কক্সবাজারের দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো: আলী কবির জানান,‘ টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ধসে পড়ে। প্রায় ৫ একরের দেড়শত ফুট উঁচু পাহাড়টির কিছু অংশ কেটে ফেলে স্থানীয়রা। এতে বৃষ্টির পানি সহজে পাহাড়ের মাটির ভেতর ঢুকে পড়ায় পাহাড়টি ধসে পড়ে। পাহাড়ের আরও কিছু কিছু অংশে ফাটল ধরেছে। পাহাড় ধস অব্যাহত রয়েছে’। ঘটনার পর এলাকার মানুষ আতংকে রয়েছে বলে জানান স্থানীয় ইউপি সদস্য কুদরত উল্লাহ সিকদার।
তবে যাতে মানুষের জান-মালের কোনো ক্ষতি না হয় সে জন্য প্রশাসনের সহযোগিতায় কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
গত জুন মাসের ১০ তারিখ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে শতাধিক বাড়ি বিধ্বস্ত হয়।






