ফতুল্লা থেকে: তিন-চার-পাঁচে ব্যাটিং করার অভিজ্ঞতা হয়েছে আগেই। এবার ইনিংসের গোড়াপত্তন করার অভিজ্ঞতাও হল মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। মঙ্গলবার সবাইকে চমকে দিয়ে এনামুল হক বিজয়ের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে যান আবাহনীর এই পেসার।
ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের সুপারসিক্সের ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের বিপক্ষে নেমেছে আবাহনী। সেখানে প্রথমবার ওপেনিংয়ে নামার অভিজ্ঞতা অবশ্য ভাল হয়নি ম্যাশের। ৭ রান করে পেসার আবু জায়েদ রাহীর বলে হয়েছেন বোল্ড। ৮ বলের ইনিংসে ছিল দর্শনীয় একটি চারের মার।
মাশরাফী প্রথাগত ওপেনারদের মতোই বলের সুইং বুঝে খেলেছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। জোরের উপর করা রাহীর দুর্দান্ত ইনসুইঙ্গার তার ব্যাট-প্যাড হয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে।
বোলিং শক্তি বাড়াতে গিয়ে ওপেনার সাইফ হাসানকে একাদশের বাইরে রেখেছে আবাহনী। যে কারণেই বিজয়ের সঙ্গে ওপেনিংয়ে আসা মাশরাফীর।
‘ব্যাটসম্যান’ মাশরাফীর জন্য ফতুল্লা লাকি ভেন্যু। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এ ডানহাতির প্রথম ও একমাত্র সেঞ্চুরি এই মাঠেই। ২০১৫-১৬ মৌসুমে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হয়ে খেলেছিলেন ৫২ বলে ১০৪ রানের ইনিংস। টর্নেডো ইনিংসটি ছিল শেখ জামালের বিপক্ষেই।
ওপেনিংয়ে নেমে ব্যর্থ হলেও আসল কাজটা ঠিকই সেরেছেন মাশরাফী। বল হাতে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ৫ ওভারের প্রথম স্পেলে উইকেটে না পেলেও, দ্বিতীয় স্পেলে এসেই সাফল্য; নেন উন্মুক্ত চাঁদের উইকেট। ১০১ রানের ইনিংস খেলা চাঁদকে সাজঘরে পাঠিয়ে শেখ জামালের ছন্দপতন ঘটান।
ওই ওভারেই জিয়াউর রহমানকে ফিরিয়ে দিলে বেশিদূর যেতে পারেনি নুরুল হাসান সোহানের দল। ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে জামালরা তোলে ২৫৬ রান। জবাব দিতে নেমে যদিও শুরুটা ভাল হয়নি আবাহনীর।







