বাবা-মা’কে হত্যার দায়ে বিচারিক আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সন্তান ঐশীর ভবিষ্যৎ কী? জানতে এখন হাইকোর্টের একটি রায়ের অপেক্ষায় থাকতে হবে।
রাজধানীর মালিবাগে স্ত্রীসহ পুলিশের পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে তাদের সন্তান ঐশীর করা হাইকোর্টে আপিল ও মামলার ডেথ রেফারেন্সের শুনানি এখন শেষ পর্যায় রয়েছে।
ঐশীর আপিল ও মামলার ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষ হতে আর হয়তো এক কার্যদিবস সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষ হলে যে রায় আসবে তাই বলে দেবে ঐশীর ভবিষ্যৎ।
সোমবার হাইকোর্টে হাজির করা হয় ঐশীকে। এদিন বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ ঐশীর সঙ্গে খাস কামরায় কথা বলেন। সেখানে ঐশী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ৩ মার্চ ঐশীর করা আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানির সময় বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ ঐশী রহমানের মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে ১০ এপ্রিল হাইকোর্টে হাজির করার নির্দেশ দেন।
ওইদিন আইনজীবী সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পী সাংবাদিকদের জানান, ‘ঐশীর মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার এক রিপোর্টে তথ্য পাওয়া যায় যে হত্যার সময় ঐশী মানসিকভাবে সুস্থ ছিল না। বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরায় আদালত তাকে হাজির করতে বলেন।’
২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের এক ফ্ল্যাট থেকে পুলিশের পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরদিন মাহফুজের ভাই মশিউর রহমান পল্টন থানায় হত্যা মামলা করেন। ওইদিনই পল্টন থানায় আত্মসমর্পণ করে ঐশী।
এরপর ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ঐশীকে মৃত্যুদণ্ড এবং তার বন্ধু মিজানুর রহমানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেন। ওই বছরের ১৯ নভেম্বর নিম্ন আদালতের রায়সহ নথিপত্র হাইকোর্টে আসে এবং পরে ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নথিভুক্ত হয়। ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করে ঐশী।








